ওকে নিয়ে আমার কল্পনা করা অনৈতিক। আপন খালাতো বোনের মেয়ে। সম্পর্কে ভাগ্নী। আমার সাথে খুব ভালো একটা শ্রদ্ধা-বিশ্বাস-ভালোবাসা মিশ্রিত সম্পর্ক। ছোটবেলা থেকেই ও আমার খুব প্রিয়। কখনো ভাবিনি ওকে নিয়ে আজেবাজে কোন কল্পনা করা যাবে। এমনকি একসময় ভেবেছি, যদি কোন সামাজিক বাধা না থাকতো, আমি ওকে বিয়ে করতাম। মামা-ভাগ্নীর প্রেমও হতে পারতো আমি একটু এগোলে। ও সবসময় রাজী। আমরা দুজন জানি মনে মনে আমরা দুজন দুজনকে পছন্দ করি খুব। সেই তুতুকে হঠাৎ একদিন ঝকঝকে লাল পোষাকে ছবি তুলতে গিয়ে অন্য রকম দৃষ্টিতে দেখতে শুরু করলাম। কামনার দৃষ্টি। ওর শরীরে তখন যৌবন দানা বাধতে শুরু করেছে মাত্র। কামনার মাত্রা চরমে উঠলো যখন সে কয়েকমাস আমাদের বাসায় ছিল পড়াশোনার জন্য। সেই সময়টা ওর দেহে যৌবনের জোয়ার। সমস্ত শরীরে যৌবন থরথর করে কেঁপে কেঁপে উঠছে। আমার চোখের সামনে তুতুর সেই বাড়ন্ত শরীর আমাকে কামনার আগুনে পোড়াতে লাগলো। নৈতিকতা শিকেয় উঠলো। যে কারনে কামনার এই আগুন জ্বললো তা হলো তুতুর বাড়ন্ত কমনীয় স্তন যুগল। এমনিতেই ওর ঠোট দুটো কামনার আধার, তার উপর হঠাৎ খেয়াল করলাম ওর স্তনদুটো পাতলা ঢিলা কামিজ ভেদ করে বেরিয়ে আসতে চাইছে। ভেতরে কোন ব্রা নেই, শেমিজও নেই বোধ হয়। কিছুদিন আগে দেখেছি ওর কিশোরী স্তন বেড়ে উঠছে। কিন্তু এখন দেখি ওর স্তনদুটো কৈশোর পেরিয়ে যৌবনের চরম অবস্থায় এসে সামনে না এগিয়ে ব্রা'র অভাবে নিন্মগামী হয়েছে। সেই কিঞ্চিত নিন্মগামী স্তনদুটো এত সুন্দর করে কামিজ ভেদ করে বেরিয়ে আসে, আমি বোঁধা বোঁধা দুধ বলতে শুরু করি মনে মনে। বোঁধা মানে দড়ির বান্ডিলের মতো স্তনের শেপটা পাক খেয়ে নামছে দৃঢ় প্রত্যয়ে। কামনার আধার। সাইজে আমের মতো হবে। আমার চোখদুটো সেই আমদুটো থেকে কিছুতেই সরাতে পারতাম না। ব্রা পরতো না বলে স্তনদুটো সুন্দর ছন্দে কেঁপে কেঁপে উঠতো। রান্নাঘর থেকে ভাত-তরকারী নিয়ে যখন ডাইনিং টেবিলে আসতো, আমার সেই দৃশ্যটা সবচেয়ে বেশী চোখে ভাসে। কারন তখন আমি একপাশ থেকে তুতুর বগলের একটু সামনে বোঁধা বোঁধা স্তনদুটো ছন্দে ছন্দে কেপে উঠা দেখতাম। নিস্পাপ স্তনযুগল। দেখে অপরাধবোধে ভুগতাম। কিন্তু না দেখেও থাকতে পারতাম না। পরে অনেকবার কল্পনা করে করে হাত মেরেছি মাল ফেলেছি। রাতে শুলেই কল্পনা করতাম কী করে ওকে পাবো।
-বাসার সবাই কোথায়
-বাইরে, দেরী হবে ফিরতে
-বসো গল্প করি।
-হাসছো কেন
-এমনি
-তোমার হাসিটা এমনি খুব সুন্দর
-হি হি হি
-তোমার চোখও
-আর?
-চুল
-আর?
-হুমমমম......
-বলেন না মামা
-মামা ডাকলে বলা যাবে না
-ঠিকাছে মামা ডাকবো না, এবার বলেন
-তোমার ঠোট
-আর (লজ্জায় লাল হলো মুখ)
-তোমার হাত, বাহু
-আর?
-আর....তোমার আগাগোড়া সবকিছু সুন্দর
-হি হি হি
-হাসছো কেন
-আপনি কি আমার সব দেখেছেন?
-না, তবে বোঝা যায়
-কী বোঝা যায়
-যদি তুমি মাইন্ড না করো বলতে পারি
-করবো না, আপনি আমাকে নিয়ে সব বলতে পারেন। আমার উপর আপনাকে সব অধিকার দিয়ে রেখেছি
-তাই নাকি, বলো কী
-তাই
-কিন্তু কেন?
-আপনাকে ভালো লাগে বলে।
-কেমন ভালো
-বোঝাতে পারবো না
-ভালো মামা
-যা, মামা কেন হবে, আমি আপনাকে অন্য ভাবে ফীল করি
-তুতু
-হ্যাঁ
-তুমি সত্যি বলছো?
-হ্যাঁ, আমি জানি আমার সে অধিকার নেই তবু আমি মনকে বোঝাতে পারি না। আপনি আমার উপর রাগ করবেন না প্লীজ।
-না, তুতু। রাগ না, আমিও সেরকম একটা অপরাধবোধে ভুগি। কিন্তু কী করবো। বিশ্বাস করো তোমাকেও আমি ঠিক ভাগ্নী হিসেবে দেখতে চাই না।
- আপনিও?
-হ্যা তুতু
-আমরা এখন কী করবো?
-জানি না
-এটা কে কী ভালোবাসা বলে?
-বোধহয়
-তুমি আমাকে ভালো বাসো
-খুব
-আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। তুমি কী আমাকে জড়িয়ে ধরবে একটু
-আসো
এরপর আমি তুতুকে বুকে জড়িয়ে ধরি। তুতু আমার শরীরে লেপ্টে যেতে থাকে। আমি ওর ঠোট খুজে নিয়ে চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দেই। তুতুও আমার চুম্বনে সাড়া দেয় প্রবলভাবে। আমরা পরস্পরের ঠোট নিয়ে চুষতে থাকি পাগলের মতো। অনেক দিনের ক্ষুধা। এরপর আমার হাত চলে যায় ওর বুকে। ডানহাত দিয়ে ওর বামস্তনটা স্পর্শ করি। তুলতুলে রাবারের মতো নরম, ব্রা নেই, শেমিজও নেই। আমি ডানহাতে মর্দন করতে থাকি স্তনটাকে। তারপর দুই হাতে দুটো স্তনই ধরে টিপতে থাকি।আপনার ভালো লাগে এগুলো
-তোমার এদুটো খুব নরম, ধরতে ভালো লাগছে। একটু দেখতে দেবে?
-এগুলো আপনার, আপনি যেমন খুশী দেখুন
তারপর ওর কামিজটা নামিয়ে দিলাম। পেলব ফর্সা সুন্দর দুটো স্তন। একটু ঝুলে আছে, কিন্তু তাতেই ওর সৌন্দর্য বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছে। আমি মুখটা স্তনের কাছে নামিয়ে ওর দিকে তাকালাম।
-একটা চুমো খাই?
-একটা না, অনেক চুমু
আমি স্তনের হালকা খয়েরী বোঁটায় জিহ্বার আগা দিয়ে স্পর্শ দিলাম। তুতু কেঁপে উঠলো ভীষন ভাবে। বোটাটা শক্ত হয়ে যাচ্ছে দেখলাম। দেরী না করে বোঁটাটা মুখে পুরে নিলাম। তারপর চুষতে লাগলাম পাগলের মতো। কতক্ষন ডানস্তন, কতক্ষন বামস্তন এভাবে দুই স্তন চুষলাম বেশ অনেক্ষন ধরে। চুষে কামড়ে লাল করে দিলাম তুতুর দুটো স্তন।
-মামা, আজ থেকে আপনি আমার মামা নন। আমরা প্রেমিক প্রেমিকা।
-ঠিক আছে, আমি রাজী
-হি হি হি, আপনি ভীষন দুষ্টু। আমাকে তো কামড়ে দাগ করে দিয়েছেন।
-আরো কামড়াবো, আরো খাবো। আমার ক্ষিদা মিঠে নাই। আসো বিছানায় শুয়ে করি।
-আরো করবেন?
-করবো, তুমি সেলোয়ারের ফিতাটা খোলো
-না, ওইটা করবো না
-কেন
-আমার ভয় লাগে
-কিসের ভয়
-ব্যাথা পাবো
-কে বলেছে
-শুনেছি
-আর ধুত, আমি আস্তে আস্তে করবো
-আপনি এত রাক্ষস কেন
-তোমার জন্য
-পাগল
-এই দেখো তুমি আমারটা, বেশী বড় না
-ওমা!!!! এটা এত বড়??? আমি পারবো না, প্লীজ। আমার ভয় করে।
-আসো না, অমন করেনা লক্ষীটি। দেখো কত আরাম লাগবে। তুমি ধরো এইটা হাতে, ভয় কেটে যাবে্
-এত শক্ত কেন?
-শক্ত না হলে ঢুকবে কী করে
-এত শক্ত জিনিস ঢুকলে ব্যাথা পাবো তো।
-তোমার ছিদ্র এর চেয়ে বড়। তুমি দেখো
-না, আমারটা অনেক ছোট
-ছোট না, ওটা রাবারের মতো। আমি ঢোকালে বড় হয়ে যাবে। কাছে আসো, রানটা ফাঁক করো।
-আস্তে মামা,
-আবার মামা??
-হি হি, তাহলে কী ডাকি
-আচ্ছা ডাকার জন্য ডাকো। এই দেখো মাথাটা নরম, আগে মাথাটা দিলাম। তোমার সোনার দরজাটা খোল একটু
-আরে? মাথা ঢুকেছে তো? ব্যাথা লাগেনি, হি হি
-তোমার সোনাটা খুব সুন্দর। গোলাপী। একটু ভিজেছে তো। পিছলা জিনিস এসেছে। তাহলে কম ব্যাথা পাবা।
-হ্যা ভিজাটা আমি খেয়াল করেছি। আপনি দুধ খাওয়া শুরু করতেই ভিজেছে।
-তাহলে দুধটা আবার খাই, দাও। আরাম লাগছে না?
-লাগছে, আপনি চুষলে আমার খুব আরাম লাগে।
-এবার আরেকটু চাপ দেই?
-দেন
-আহহহহ
-ওওও.....না না ব্যাথা লাগছে, আর না
-আরেকটু।
-ওহ ওহ ওহ......পারছি না
-পারবে, আরেকটু কষ্ট করো
-এত ব্যাথা কেন। আপনি ফাটিয়ে ফেলছেন। আজকে আর না প্লীজ মামা।
-সোনামনি অর্ধেক ঢুকে বেরিয়ে আসা কষ্টকর। একমিনিট কষ্ট করো। প্রথমবারতো!
-আচ্ছা, আমরা তো কনডম নেই নি!! সর্বনাশ।
-তাই তো!! বের করেন বের করেন
-রাখো, মালটা বাইরে ফেললে হবে
-না মামা, প্রেগনেন্ট হলে কেলেংকারী হয়ে যাবে। আপনি কনডম নিয়ে আসেন আমি আবার ঢোকাতে দেবো আপনাকে
-আচ্ছা, দাড়াও মাল ফেলবো না, ভয় পেয়ো না।
মিনিটখানেক পর লিঙ্গটা তুতুর যোনী থেকে বের করে আনলাম। বাইরে এসে ফচাৎ করে মাল বেরিয়ে ছড়িয়ে পড়লো বিছানায়। তুতু অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখতে লাগলো আঠালো ঘিয়ে রঙের বীর্য। মুখে তার অতৃপ্তির হাসি যদিও। আমরা ঠিক করলাম কনডম কিনে আনলে আবার সুযোগমতো লাগাবো রাতে। জানি বিয়ে করতে পারবো না ওকে, কিন্তু গোপনে চোদাচুদি করে তৃপ্তি মেঠাতে অসুবিধা নেই। তুতুও বেশ খুশী আমার পরিকল্পনায়।
পরের দিন আমি বাইরে থেকে কনডম এনে তুতুর অসাধারন যোনীতে আমার লিঙ্গ প্রবেশ করালাম, কি আনন্দ বলার ভাষা নেই! তুতু আমাদের সফল যৌন সংগমের পর বলল, মামা তুমি আমাকে বিয়ে কর প্লিজ। তুমি কি যে তৃপ্তি আমাকে দিচ্ছ তা বলার নয়।
এরপর থেকে আমরা সুযোগ পেলেই প্রায়ই চোদাচুদি করতাম।
আমার নাম শুভদীপ রায়। বয়স ২৪ বছর। সল্টলেকে একটা MNC তে সফটওয়ার এঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আজ আমি আপনাদের কাছে আমার পুরোনো দিনের কিছু কথা share করবো। আমার বাড়ী পশ্চীমবংগের একটা ছোট্টোগ্রামে। খুব পুরোনো না, একটা সদ্য গড়ে ওঠা গ্রাম। পাড়াতে আমাদের এবং আরো চারটি পরিবার ছাড়া সবাই ছিল খুবই নিম্নবিত্ত পরিবার। আমাদের পাশের বাড়িটা ছিল প্রমাদি র বাড়ি। প্রমা আর নিধি ছিল দুই বোন। নিধি আমার সাথে Class 11 এ পড়তো। আর প্রমাদি BA পড়ছে। প্রমাদির চেহারা খুব একটা আকর্ষনীয় ছিল না। তবে শ্যামলা রঙ, টিকোলো নাক, তন্বী figure নিয়ে মন্দ ছিল না। কিন্তু আমার আকর্ষন ছিল নিধির উপর।
গায়ের রঙ খুব ফরসা ছিল না। মুখ খানা খুব সুন্দর। স্লিম figure। ছোট্টো বুক। আর সবচেয়ে সুন্দর ছিল ওর পাছাটা। একদম ভরাট। বিশেষ করে যখন ও পাছা দুলিয়ে হেটে যেত, তখন একবার হাত বুলিয়ে দেওয়ার ইচ্ছেটা অনেক কষ্টে চেপে রাখতে হোতো।
তখন সময়টা ছিল শীতের শুরু। এক দুপুর বেলা নিধির মা আর আমার মা আরো দুই পরিবার এর কাকিমারা একসাথে কলাই এর বড়ি দিতে খুব ব্যস্ত, আমার আরেক পাশের বাড়ীর কাকিমার ছাদেতে। আর আমি উঠোনে বসে রোদে দেওয়া কলাই পাহারা দিচ্ছি, মায়ের next বড়ি session এর জন্য। হঠাৎ ই নিধির বাড়ীর কল থেকে জল তোলার আওয়াজ পেয়ে পাচিলের ঘুলঘুলিতে চোখ রাখলাম। ঘুলঘুলিটা আসলে ছিল দু বাড়ির মধ্যে কোনো কিছু দেওয়া নেওয়ার জন্য, তা সে হোক হলুদ বাটা বা আমসত্ত। ঘুলঘুলিতে ছোখ রেখে দেখি প্রমাদি কলতলাতে স্নান করছে। একটা গামছা পরে আছে শরীরে। আমার ঘুলঘুলি থেকে বড়জোর ১০ ফুট দূরে কলতলা। সুতরাং সবই পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিলাম। শীতের শুরুতে ঠান্ডা জল গায়ে পড়ার জন্য nipple টা শক্ত হয়ে ফুলে উঠেছে। ভেজা গামছার উপর দিয়ে nipple টা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। সাবান হাতে নিয়ে প্রমাদির হাত গলা, ঘাড়, খোলা পিঠ হয়ে গামছার ভেতর বুকের উপর অদৃশ্য হয়ে গেল। একটু আগে দেখা শক্ত nipple এর ওপর সাবান হাতে নিয়ে প্রমাদি কি করছে ভাবতে গিয়ে হাত প্যান্টের মধ্যে পৌছে গেল। প্যান্ট ততক্ষনে তাবু হয়ে গেছে। এদিকে বেশ কয়েকবার সাবান বোলানোর পর প্রমাদির হাত নেমে এল পায়েতে। হাটু ওব্দি হাল্কা সাবান লাগানোর পর হাত আস্তে আস্তে দু পায়ের মাঝে ঢুকে গেল। ঠিকমতো space না পাওয়ার জন্য প্রমাদি আস্তে আস্তে পা ফাক করতে লাগলো। আর সাথে সাথে গামছা তা হাটুর আরো ওপরে উঠে যেতে লাগলো। ওফফফফ্J কি চকচকে একটা পা। আর কি সুন্দর ঊরু। কারো ঊরু যে এত সুন্দর হতে পারে আগে আমার ধারনা ছিল না। ইচ্ছে করছিল তখুনি ঝাপিয়ে পড়ি। হাত ততক্ষনে প্যান্টের ভেতর কাজ শুরু করে দিয়েছে। বেশ কয়েকবার সাবান লাগানোর পর প্রমাদি সাবানটা বাইরে রেখে শুধু হাত দু পায়ের মাঝে ঢুকিয়ে দিল, আর বারবার ঘষতে শুরু করল। আরামে মাথাটা আস্তে আস্তে ওপরের দিকে উঠে গেল। দুই ঠোট ফাঁক হয়ে গেছে। বুক হাপরের মত ওঠানামা করছে। পাটা ক্রমে ক্রমে আরো ফাঁক হতে শুরু করলো, আর গামছা আর ওপরে। আমি প্রমাদির side এ থাকায় শুধু মসৃন ঊরু দেখতে পাচ্ছিলাম। গামছা ক্রমে ওঠে পাছা দেখা গেল। আর বুকের ওঠানামার জন্য আস্তে আস্তে বুকের উপর গামছা ঢিলে হয়ে বুকের ডানদিক দেখা যেতে লাগলো। একদম খাঁড়া, একটুও ঝোলেনি বুকটা। নিউটনের সমস্ত মাধ্যাকর্ষন সুত্রকে ভুলে গিয়ে বুকের ওপর সোজা দাঁড়িয়ে থাকা স্তন, মসৃন ঊরু, ভরাট পাছা – এসব দেখে আমার অবস্থা খারাপ। হাত চলছে ফুল স্পীডে। Orgasm এর শীর্ষে পৌছে আর ধরে রাখতে পারলাম না নিজেকে। ছেড়ে দিলাম, আর মুখ থেকে একটা আওয়াজ বেরিয়ে এল – ‘আহহহহহহহহহ”। আর তখুনি ঘাড় ঘুরিয়ে আমাকে দেখে প্রমাদি “কে কে “ বলে চেচিয়ে ওঠল। চট করে মাথাটা নামিয়ে একদম বাড়ির ভেতরে চলে এলাম। ততক্ষনে হাত আর প্যান্ট দুটোই চটচটে রসে মাখামাখি হয়ে গেছে। ঘটনাটা ঘটার পর বেশ কয়েকদিন হয়ে গেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকবার মুখোমুখি হয়েছি প্রমাদির। সববারেতেই আশেপাশে কেউ না কেউ ছিল। তাই হয়তো ওই ঘটনাটা নিয়ে কোনো কথা বলেনি প্রমাদি। কিন্তু যখনি ওর দিকে তাকিয়েছি, ওই বুকের ওপর সোজা দাঁড়িয়ে থাকা স্তন, মসৃন ঊরু, ভরাট পাছা মনে পরে গেছে। নিজের ওপর control রাখতে পারবো না ভেবে সরে গেছি।
তারপর একদিন দুপুর বেলা আমার রুমেতে শুয়ে শুয়ে একটা সদ্য পাওয়া চটি বই তন্ময় হয়ে পড়ছি। বাড়িতে কেউ নেই। মা গেছে কোনো কাকিমার বাড়ি regular PNPC করতে। দরজা খোলা। আর আমার এক হাত প্যান্টের মধ্যে ঢুকে খেলতে ব্যাস্ত। এমন সময় হঠাৎই দরজার কাছে হাল্কা চুড়ির শব্দ এল, আর প্রমাদির গলা পেলাম “ খুব ব্যাস্ত নাকি?”। চমকে উঠে দরজার দিকে তাকিয়েই হাতটা প্যান্ট থেকে বার করে আনলাম। চটিটা তখন হাত থেকে পড়ে মেঝেতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। ফুলে তাবু হয়ে থাকা প্যান্টের দিকে একবার তাকিয়ে প্রমাদি আমার পাশে বিছানাতে বসল। তারপর হাতে চটিতা তুলে নিয়ে বলল “এটা কি পড়ছিলি? কাকিমা জানে তুই পরীক্ষার আগে এইসব বই পড়ছিস? “আমার তো তখন ভয়ে আত্মারাম খাঁচাছারা অবস্থা। আমতা আমতা করে বললাম “না”। – “পরশু তুই পাচিলের ঘুলঘুলি দিয়ে আমায় স্নান করতে দেখছিলি?”
- না মানে ইচ্ছে করে দেখিনি। জলের শব্দ পেয়ে তাকিয়ে ফেলেছিলাম।
- তাকিয়ে কি দেখলি?
মনের কোনে ভেজা গামছা পরা অবস্থাতে প্রমাদির ছবি ভেসে উঠতেই চোখ চলে গেল সোজা বুকের দিকে। এত সামনে থেকে ওগুলোকে এত ভালো করে দেখিনি কখনো। একটা tight সালোয়ার পরে এসেছে আজ। কোমরটা সরু আর বুকের কাছটাতে ফোলা। নির্নিমেষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলাম বেশ কিছুক্ষন। প্রমাদি আস্তে আস্তে উঠে দরজাটা বন্ধ করে দিল। তারপর বিছানাতে পাশে বসে সোজা প্যান্টের দিকে হাত বাড়িয়ে দিল “ দেখি তুই কতবড় হয়েছিস”। বারমুডা পরে ছিলাম, ভেতরে কিছু ছিল না। প্যান্টের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে সোজা ধোনটাকে মুঠো করে ধরল। এতক্ষন ধরে দাঁড়িয়ে ছিল, এবার নরম হাতের ছোয়া পেয়ে যেনো ফুঁসে উঠলো। হাতটা ঠিকঠাক adust করার জন্য একদম পাশে সরে এল প্রমাদি, আর ধোনটাকে খেঁচে দিতে শুরু করল। আমি আর নিজেকে control করতে পারলাম না। ডানহাত দিয়ে প্রমাদিকে টেনে নিয়ে বাঁদিকের স্তনটার ওপর ঝাপিয়ে পড়লাম। ওফফফফফফ…কি নরম। যেন একরাশ তুলোর মধ্যে হাত ডুবিয়ে দিলাম। কোমরটা আরেকটু টেনে নিয়ে আমার দিকে পেছন করে বসিয়ে দিলাম। আর পেছন থেকে হাতের তলা দিয়ে দুটো স্তন দুহাতে টিপতে শুরু করলাম। একটু জোরে টিপতেই প্রমাদি বলে উঠলো “আস্তে টেপ, নইলে একদিনেই ব্যাথা হয়ে যাবে।” ঘাড়ের উপর পড়ে থাকা চুলের গোছাগুলো একপাশে সরিয়ে দিয়ে একের পর এক চুমু খেতে শুরু করলাম। তারপর পিঠের উপর সালোয়ারের বোতাম গুলো একটা একটা করে খুলে দিলাম। হাত গলিয়ে সালোয়ারের উপরের অংশটাকে শরীরের বাইরে বার করে দিলাম। দুহাত দিয়ে শুধু ব্রা পরা স্তনদুটিকে টিপতে শুরু করলাম। আর খোলা পিঠটাতে বারবার চুমু খেতে লাগলাম। আকর্ষন যেন ক্রমেই বাড়তে লাগছিল। একটানে কাঁধ থেকে ব্রার স্ট্রাপটা নামিয়ে দিলাম। তারপর একটানে বাঁদিকের কাপটাকে টেনে নামিয়ে স্তনটাকে আলগা করে দিলাম। কয়েকদিন ধরে যে স্তনদুটো কে স্বপ্নে দেখছিলাম, সেগুলো আমার চোখের সামনে। পুরো স্তনটাকে হাতেনিয়ে অনুভব করলাম অদ্ভুত সেই সুখানুভুতি। শক্ত হয়ে যাওয়া nipple গুলো হাতের তালুতে খোচা মারছে। প্রমাদি হাতটা পেছনে ঘুরিয়ে স্ট্রাপটা পুরো খুলে ব্রাটা দূরে ফেলে দিল। নিজেকে আর আটকাতে পারলাম না। প্রমাদিকে শুইয়ে দিলাম বিছানার ওপর। জামাটা খুলে দুহাতে দুটো স্তন ভরে নিয়ে শুয়ে পড়লাম প্রমাদির বুকের ওপর। ঠোটদুটোকে মুখের মধ্যে ভরে নিয়ে চুষতে লাগলাম। এরপর নেমে এলাম বুকের ওপর। কালচে রঙের ছোট্টো বৃন্তটা স্তনের ওপর জ়েগে আছে। মুখের মধ্যে ভরে নিলাম। অন্য বৃন্তটাকে দুআঙ্গুল দিয়ে টিপতে, টানতে আর ঘোরাতে শুরু করলাম। প্রমাদি দু হাত দিয়ে মাথার চুলগুলো আঁকড়ে ধরে মুখটাকে বুকের ওপর আরো বেশি করে চেপে ধরলো। আমি দাঁতের ফাকে আরেকটা বৃন্তকে কামড়ে ধরলাম। একটু পরে প্রমাদি মাথাটাকে ধরে ডানদিকের স্তনে নিয়ে এল। বাহাতটা আস্তে আস্তে নামিয়ে দিলাম নাভী দিয়ে দুপায়ের মাঝে। একটু ভয় লাগছিল, জানি না প্রমাদি কতদূর allow করবে? বেশ খানিক্ষন হাতড়ানোর পর সালোয়ারের ফিতে খুজ়ে পেলাম। তারপর হালকা করে একটা টান। হাতের আঙ্গুলগুলো নিজের থেকেই নেমে গিরিখাদে পৌছে গেলো। আলতো করে হাত বুলোতে লাগলাম চেরা অংশটার উপর। পাতলা প্যান্টিটা যেনো উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছিলো। এরপর দুটো আঙ্গুল দিয়ে ইলাস্টিকটা একটু টেনে হাত ঢুকিয়ে দিলাম প্যান্টির ভেতর। একরাশ নরম চুল। প্রমাদি মনে হয় চুল কখন shave করে না। একটু খুজতেই পেয়ে গেলাম গিরিখাতের মাঝে সেই আশ্চর্য্য ঝর্নার উৎসস্থল। প্রমাদি পাটা আরও ফাঁক করে হাতের চেটোটার জায়গা করে দিলো। দুটো আঙ্গুল বারবার ঘষতে শুরু করলাম ওই চেরা জায়গাটায়। ততক্ষনে গোপন কুঁড়ি গাঝাড়া দিয়ে উঠে দাড়িয়েছে। বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে রগড়ে দিলাম clitoris টা। কামরস বেরিয়ে পিচ্ছিল হয়ে গেছে জায়গাটা। স্তন থেকে মুখ সরিয়ে দেখলাম প্রমাদি চোখ বন্ধ করে পুরোপুরি আবিষ্ট হয়ে গেছে। এই সু্যোগ মনে করে প্যান্টি সমেত সালোয়ার টাকে টেনে নিচে নামিয়ে দিলাম। প্রমাদিও আস্তে করে পাছাটা তুলে ধরলো। তারপর বাহাত দিয়ে আমার বারমুডাটাকে নিচে নামিয়ে দিলো। পরম মমতায় হাত বুলিয়ে দিলো আমার ধোনটাকে। তারপর আস্তে করে টান মারলো ওর গুদের দিকে। আমি বলে উঠলাম “ কন্ডোম নেই যে”। “তুই আমায় বিকেলে i-pill এনে দিস। “ সময় নিয়ে গুদের মুখে ধোনটাকে set করলাম। এরপর অল্প অল্প করে চাপ দিয়ে পুরোটা ঢুকিয়ে দিলাম। ভেতরটা যেন একতাল গরম মাখন। আস্তে আস্তে কোমর নাড়াতে শুরু করলাম। দুই হাত দিয়ে চেপে ধরলাম দুটো স্তনকে। ঠাপের স্পীড বাড়তে লাগলো। বেশিক্ষন ধরে রাখা যাবে না বুঝে long stroke শুরু করলাম। প্রমাদি দুইপা আমার কোমরের উপর তুলে কাচি করে ফেললো। দুইহাত দিয়ে আমার পিঠ আকড়ে ধরলো। মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝলাম চরম সময় উপস্থিত। আরো বারকায়েক ঠাপ মেরে গলগল করে মাল আউট করে দিলাম প্রমাদির গুদের মধ্যে। আর প্রমাদি এত জোরের সাথে আমাকে আকড়ে ধরলো যে নখের দাগ বসে গেল পিঠের ওপর। ওই অবস্থাতেই কিছুক্ষন শুয়ে থাকলাম প্রমাদির বুকের উপর। একধাক্কাতে যেনো নিষিদ্ধ জগতের একটা দরজা খুলে গেল আমার কাছে। প্রমাদি দেখলাম এখনো চোখ বুঝে শুয়ে আছে। আস্তে করে ঠোটে একটা চুমু এঁকে দিলাম। প্রমাদি চোখ খুলে তাকাল। বললো “বললি না তো সেদিন স্নান করার সময় কি দেখছিলি?”

পূজোর ছুটি শেষ, মনটা খারাপ, মেয়েটা চলে যাবে, ক্লাস নাইন, কেন যে তখন শান্তিনিকেতনে পড়ানোর জন্য রাজি হয়ে ছিলাম, ও থাকলে, ওর ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকালে হতাশাটা অনেক কম থাকে, শরীরও খানিক চুপ থাকে, ওর ব্যাগ গুছিয়ে দিতে হবে, যদিও বলেছিলো ও নিজেই পারবে, জানি পারবে, হস্টেলে থাকতে থাকতে আমার মেয়ে নিজের দায়িত্ব নিতে শিখে গিয়েছে, কখন যে বড় হয়ে গেল, জানতে পারলাম না৷ সোমবার যাবো, ওকে হস্টেলে পৌঁছে দিতে, আজ শুক্রবার, ভালোই হলো, রবিবার মাথায় সাবান দেবো৷শেষ শরতের বেলা শেষের উত্তাপ হীন সূর্য কিরন আমাদের ডাব গাছ গুলোর পাতার ফাঁক দিয়ে আমার ঘরের সামনের খোলা ছাদে লুটোপুটি খাছ্ছে, হাওয়ায় হীমেল ভাব, বসার ঘরে মেয়ে তার বন্ধূর সাথে গল্পে ব্যস্ত, মাঝে মাঝে ওদের রহস্যময় হাসির আওয়াজ, ফেলে আসা দিনগুলোকে মনেকরিয়ে দিচ্ছিলো আমায়৷ বুকের ভেতর একটা পাথর চাপা অনুভূতি, নারি মন চাইছিলো পৌরুষের নিরাপত্তা, আদর, নিষ্পেষণ৷ শেষের দুটোর অভাব আমার জীবনে কোনোদিন হয়নি, এখনো যথেষ্ট পরিমানে পাচ্ছি, কিন্তু নিরাপত্তা? স্মৃতিমেদূর ক্লান্ত বিবশ মন সজাগ হয়ে উঠলো, বাস্তবে ফিরলাম আমি, অভি ফিরলো কলেজ থেকে, চা করতে হবে, “কিরে, তোরা চা খাবিতো,” জিজ্ঞেস করলাম রিঙ্কু আর দিয়াকে, বাথরুম করে চোখে মুখে জল দিয়ে, চা করতে গেলাম, চা করে নীচে সবাইকে দিয়ে, চা নিয়ে ওপরে আসলাম, রিঙ্কু আর দিয়াকে চা আর কেক দিলাম, “তোরা গল্প কর, আমি অভিদাদাকে চা দিয়ে আসি,” হাত মুখ ধূয়ে পরিস্কার প্যান্ট জামা পরে বাইরে বেরোবার জন্য রেডি হয়ে বসে আছে অভি, “এসেই আবার কোথায় বেরোনো হচ্ছে ?” ওর পড়ার টেবিলে চায়ের কাপ দুটো রাখতে রাখতে বোললাম আমি৷ খাটের ওপর বসে ছিলো, আমার কোমোর জড়িয়ে টেনে নিলো, আমি ওর ঠোটে চুমু খেলাম, এই বৈকালিক চুম্বন রোজ নিতে হয় আমায়, কোমোর জড়িয়ে মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলো, ওর এই মুগ্ধ দৃষ্টি আমায় আস্বস্ত করে, “ঋতিকার কাছে যাচ্ছো ?” আমার পাছা খামছে ধরলো, “আর আমি যে কষ্ট করে চা করলাম! ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে যে,” ওর দু কাঁধে হাত রেখে ওর মুগ্ধ দৃষ্টিতে নিজেকে ভিজিয়ে নিলাম আমি, “ছাড়ো, ঘরে মেয়ে আছে,”৷—“তাহলে সোমবার আমরা যাচ্ছি ?”—“তুমি দাদু দিদিদমার সাথে কথা বলেছো ?”—“আজ সকালেই দিদিমা বলেছে, তোমায় হয়তো রাতে বলবে,”—“দুপুরে বলেছে, আমি বললাম বাচ্ছা ছেলে, পারবে তো ?”—“রাতে বোঝাবো, পারবো কিনা,”—“তা অবশ্য তোমার দিদিমা বললেন তুমিতো বড় বড়বউমা, তবুও পুরুষ মানুষ তো, রিঙ্কুকে নিয়ে তোমায় একা ছাড়তে পারিনা,”—“রাতে আসছোতো ?”—“শরীর খারাপ,”—“তহলে সোমবার কি করবে……?”—“চিন্তা নেই, রবিবার মাথায় সাবান দোবো, কিন্তু রবিবার চাইবেনা,”চা খেয়ে কাপ নিয়ে মেয়ের কাছে গেলাম, “চা খাওয়া হলো, কি গল্প করছিস রে তোরা ? আমাকে বলা যাবে ?” রিঙ্কু হি হি করে হাসতে হাসতে বললো “ও মা জানোতো,….” “রিঙ্কু খুব খারাপ হবে, ……. তোর সঙ্গে আড়ি,” দিয়া উত্তেজিত হয়ে বললো৷—“থাক, বলতে হবে না, আর তুইও বা কেনো বলবি রিঙ্কু ? ও তোকে বিশ্বাস করে বলেছে না ? বন্ধুদের ভেতর বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতেহয় মা”আমি তো জানি বন্ধুদের মধ্যে বিশ্বাস আর গোপোনিয়তা রাখা মেয়েদের পক্ষে কত প্রয়োজনীয়, আর জরুরী, মনে মনে ভাবলাম আমি৷রাতে খাওয়ার পর আমার ঘরে আসতে আসতে রোজকার মতন সাড়ে-দশটা বাজলো, রিঙ্কু তখন গভীর ঘুমে মগ্ন, আমি বাথরুমে গেলাম, সব খুলে ফেললাম, দরজার পেছনে লাগানো আয়নায় আদিম পোশাকে আমার পরিনত নারী শরীরের প্রতিচ্ছায়া, সুগঠিত বুক, মেদ বর্জিত পেট, পুরুষ মনে হিল্লোল জাগানো চওড়া, ভরাট পাছা,….. জানিনা আর কতদিন এই শরীর পুরুষদের কাম মদির করে তুলতে পারবে, চেরাটা সুরসুর করছে, ব্লিডিং হচ্ছে, ভালো করে পরিস্কার করে নতুন প্যাড্ লাগানো কালো প্যান্টিটা পরে নিলাম, কালো সূতির নইটি পরলাম, মেয়ে থাকলে শরীর ঢাকা পোশাক ব্যবহার করি আমি, ঘরে এসে ক্রীম্ ট্রিম্ মেখে, চুল বেঁধে দরজা বন্ধ করতে গিয়ে দেখি অভি ছাদে সিগারেট খাচ্ছে, বাইরের আলো গুলো নিভিয়ে ঘরে ছাদের দিকের জানলা বন্ধ করে দরজাটা ভেজিয়ে ওর পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম,—“ঘুমোওনি এখনো ?” অভি বললো৷—“তুমিওতো ঘুমোওনি,”—“না ঘুম আসছেনা, তাই সিগারেট খাবার জন্য বেরোলাম,”আমি ওর বুকের কাছে চলে গেলাম, ইচ্ছে করছিলো ওর পুরুষালি দু হাতের ভেতর ধরাপড়তে, আমি ওর বুকে দু হাত রেখে তৃষ্ণার্ত ভাবে মুখ তুললাম, লম্বা দুটো টান দিয়ে সিগারেটটা ফেলে, আমার মুখ দুহাতে ধরে ঠোটে চুমু খেলো, সিগারেটের গন্ধ মেশা বাইশ বছরের সদ্য যুবকের ঠোঁটের স্বাদ যে কি অপূর্ব পুরুষ পাঠক বুঝবেননা, পাঠিকারা, আমায় দয়া করে হিংসা করবেন না৷ আমি গলা জড়িয়ে ধরলাম, আমার বন্ধন হীন নরম নরিত্ব, ওর সমতল চওড়া বুকের সাথে পিষ্ঠ হতে লাগলো৷ আস্তে আস্তে বললাম, “এবার ছাড়ো,” যদিও আমার ছাড়ার ইচ্ছা মোটেই ছিলোনা, বুক উন্মুখ হয়ে উঠেছিলো পুরুষালি নিষ্পেষনের আকাঙ্খায়,—“আমার যে ঘুম আসছেনা !”—“সোমবার থেকে আবার তোমায় ঘুম পাড়ব,”নাইটির সামনের দিকের চারটে বোতাম খুলে, দুহাতে আমার কঠিন কোমল নারীত্বের স্পর্স নিতে লাগলো, আমি ওর মাথা টেনে বুকের ভেতর চেপে ধরলাম, “ছাড়ো প্লিজ্, ছাড়ো ছাড়ো,” চুষে চেটে আমার দুই বৃন্ত ভিজিয়ে দিলো অভি, কোনোরকমে নিজেকে ছাড়িয়ে নিলাম এবার, ওকে ঠেলে ঘরে পাঠিয়ে আমি শুতে গেলাম৷সোমবার বেলা তিনটে নাগাদ আমরা পৌঁছলাম বোলপুর, আমার ইচ্ছা ছিলো কোনো হোটেলে উঠে আগে একটু ফ্রেশ্ হয়ে, তারপর রিঙ্কুর হস্টেলে যাব, রিঙ্কু কিছুতেই দেরী করতে চাইলোনা, যাই হোক, স্টেশনের ওয়েটিং রুমের টয়লেটেই কোনো রকমে একটু ফ্রেশ্ হয়ে নিয়ে ওর ইচ্ছা মতনই স্টেশন থেকে অটো রিজার্ভ করে ওদের হস্টেলে গেলাম, সুপারের সাথে কথা বললাম, হস্টেল ফিস্ জমা করে ওর বন্ধুদের সাথে একটু কথাবর্তা বলে আমরা বেরিয়ে এলাম, আগামী কাল সকালে ট্রেন, আমার মন খারাপ লাগছিলো খুব, যখন আমরা আবার অটোতে উঠলাম, পাঁচটা বেজে গিয়েছে, এদিকটাতে ঠান্ডা একটু বেশী, গত তিন বছর ধরে আমি আসছি, আমার বাঁধাধরা থাকার জায়গা ‘রাতের তারা দিনের রবি’ গেস্ট হাউস, আমার স্বামীর সাথে মালিকের জানাশোনা ছিলো, এর আগে যতবার এসেছি ওখানেই উঠেছি, রিঙ্কুকে এবারে নিয়ে যাবার সময় আমার শ্বশুর শাশুড়ী এসেছিলেন আমার সঙ্গে, শান্তিনিকেতন, তারাপীঠ্, বক্রেশ্বর ঘোরা হয়েছিলো, ওখানেই উঠেছিলাম, ভিষন আপ্যায়ন, যত্ন পেয়েছিলেন, ওনারা আমাকে বার বার বলেদিয়েছেন আমরা যেন ওখানেই উঠি৷—“রাতের চাঁদ না কি যেন বলছিলো, আমরা কি ওখানেই উঠবো ?”—“না,…. এইযে ভাই হোটেল রয়াল বেঙ্গলে নিয়ে চলো,” আমি বললাম,এটাও খুব ভালো হোটেল, রুম পাওয়া গেলো, আমি একটু কম দামি চেয়েছিলাম, অভি জোরজবরদস্তি দামি একটা ঘর নিলো, রিশেপ্সনেতো এক কান্ড, এখনতো হোটেলে ঘর নিতে হলে ভোটার আইডি লাগে, আর একটা ঘর নেওয়া হচ্ছে, যতই বলি আমার ভাই, মানবে কেন ? তার ওপর আমার ভোটার আইডি নেই, আনা হয়নি, ভাগ্য ভালো অভির মানিব্যাগে ওর আইডি থাকে, শেষ পর্যন্ত হোটেলের খাতায় লেখা হলো শ্রী এবং শ্রীমতি অভিষেক ঘোষ৷ হোটেলের রুমে ঢুকলাম, সন্ধ্যে হয়ে আসছে তখন, ঘরটা দারুন, একটা সোফা আছে, একটা ছোটো টেবিল, দুটো কাঠের চেয়ার, বিরাট কিং সাইজ্ বেডে সাদা, একেবারে দুধ সাদা চাদর পাতা, বিছানার পাশের দেওয়ালে বিশাল আয়না, ওটাই ড্রেসিং টেবিল, একটা এ্যাটাচ্ ব্যালকনি, বাথরুমটাও বেশ বড়, গীজার আছে, বাথটব নেই, থাকলে অভির একটা নতুন অভিজ্ঞতা হতো৷ রুমসার্ভিস থেকে এসে সাবান,একটা তোয়ালে, খাবার জল দিয়ে গেলো; চব্বিশ ঘন্টা সার্ভিস, বেল বাজালে চলে আসবে বলে চলে গেলো৷আমার কোমোর জড়িয়ে অভি বললো “ঘর পছন্দ হয়েছে ?…শ্রীমতি ঘোষ ?”—“ঘোষ সাহেবের পছন্দ হলেই হলো,”—“আজ আমার দারুন আনন্দ হচ্ছে,” আমার কোমোরে ওর কোমোর ঘোষতে ঘোষতে বললো,—“কেন ?”—“অন্তত কোনো একটা সংস্থা স্বীকার করলো তুমি আমার,” বুকের আঁচল সরিয়ে খাঁজে চুমু খেলো,—“সারাদিনের জার্নি, যাও আগে ফ্রেশ হয়ে নাও,”—“তুমি আগে যাও, আমি পরে যাবো,”বাথরুমে ঢুকলাম, শাড়ি, জামা, শায়া সব খুলে ফেললাম, ব্রেসিয়ারটা খোলার পর কি আরম লাগলো, ইসস্ দাগ হয়ে গেছে, বুকের তলায়, প্যান্টি খোলার সময় নিজেকে ধন্যবাদ দিলাম, ভাগ্যিস্ জি-স্ট্রিং পরেছিলাম, নাহলে আজ কপালে দূর্গতি ছিলো, কুঁচকি রগরগে হয়ে যেতো, যাই হোক প্যান্টি আর ব্রেসিয়ার ধুয়ে দিলাম, শাড়ি, শায়া ধুলাম না, কাল শোকাবেনা, ফ্রেশ হয়ে চান করলাম, গরম জলে, সাবান মাখার সময় খেয়াল পরলো বগলের চুল কামানো হয়নি, এ সপ্তাহে, চেরার চুল গুলোও ছোটো করার দরকার, কোনোটাই অবশ্য জঙ্গল হয়ে ওঠেনি, দেখি অভির চোখে কেমন লাগে, আজতো আমার যে কি হবে কে জানে, চান করে গা মুছে তোয়ালেটা বুকের ওপর দিয়ে জড়িয়ে বেরোলাম, খাটে অভি শুয়ে আছে, পা দুটো মাটিতে, পরনে শুধু কালো সাদা জকি জাঙ্গিয়া, আমি বেরোতে ও উঠে পড়লো, চোখ ফেরাতে পারছিলামনা, আমার দিকে মুগ্ধ দৃষ্টি নিয়ে এগিয়ে আসতে লাগলো৷—“এ্যাই, এ্যাই না না, আগে চান করো,” মুখে বললাম আমি, মনে চাইলাম অন্য কিছু, জড়িয়ে ধরলো, কি করে মনের কথা বুঝলো কে জানে, আমি বুকের কাছে তোয়ালেটা ধরে রইলাম, নাহলে নির্ঘাত খুলে দিতো, আমার দিদিমা বলতেন মেয়েদের শরীর ঢাকা থাকে বলে পুরুষরা আকর্ষিত হয়, বাথরুমে ঢুকলো অভি, আমি ব্যাগ থেকে একটা সাদা পাতলা প্যান্টি বারকরে পরলাম, কিমোনো টাইপ সাটিনের নাইটি পরলাম, মেরুন, ব্রেসিয়ার পরলাম না৷—“আরে মিসেস ঘোষ এইটা পরে কেমন লাগে আময়তো দেখাওনি কোনোদিন !”দরজা খুলে বেরিয়ে পরলো, দু হাতে আমার জি-স্ট্রিং, ওর শক্তিশালী পেশীবহুল দুই উরুর মাঝে জৌবনের জয়ধ্বজা দ্বদূ ল্যমান৷—“ওঃহোও, শুকোতে দাও, কাল দেখাবো, কাল ওটা পরেই যাবো কিন্তু……”পেছনের তিন তলার ছোট্টো ব্যালকনি থেকে দেখা যাচ্ছে ভুবনডাঙ্গার মাঠ, শীষের ভারে অবনত ধান গাছ গুলো অপেক্ষায় আছে চাষীর গোলায় ওঠবার জন্য, মেঠো ইঁদূর গুলোর ঘরে নবান্ন শুরু হয়ে গিয়েছে, কুয়াশার ঘোমটায় মুখ ঢেকে রেখেছে পৃথিবী, লাজুক চাষী বউ এর মতন, আজ শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী, তরুন চাঁদের কামূক দৃষ্টির থেকে বাঁচার জন্য৷ এদিকে ঠান্ডাটা একটু বেশী, জড়িয়ে ধরছে প্রেমিকের মত, শরীর চাইছে চওড়া বুকের উষ্ণতা, রেলিঙে হেলান দিয়ে ঘর মুখো দাঁড়ালাম আমি, বাথরুম থেকে বেরোলো অভি, কোমোরে জড়ানো সাদা তোয়ালে, আমাকে নিষ্পলক করে তোয়ালে খুলে ফেললো কোমোর থেকে, চওড়া কাঁধ ধীরে সরু হয়ে নেমে এসেছে কোমোরে, ঘাড়ের কাছ থেকে পিঠের মাঝ দিয়ে গভীর ভাবে শিরদাঁড়া নেমে এসেছে পাছার খাঁজের ঠিক ওপর পর্যন্ত, নির্লোম, উন্নত, সুঠাম, সুগঠিত পাছা,…..আদিম অনুভূতিতে আচ্ছন্ন হয়ে গেলাম আমি৷সাদা সর্টস আর একটা গেঞ্জী পরলো অভি, রেলিঙে হেলান দিয়ে দুহাত ছড়িয়ে রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি, তলার ঠোঁট কামড়ে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম ওর দিকে, কাছে এসে দুহাতে আমার কোমোর ধরে টেনে নিলো নিজের দিকে, আমি বুক এগিয়ে দিয়ে মাথা হেলিয়ে দিলাম পেছনে, আমার গলায়, চিবুকে, বুকের খাঁজে, কাঁধে চুমু খেতে লাগলো, বাঁ হাতে আমার কোমোর জড়িয়ে ডান হাতে আমার মাথার পেছনের চুল ধরে আমার মুখ টেনে নিলো ওর মুখে, আদিম স্বাদের কামনায় তির তির করে কাঁপতে থাকা আমার পাতলা ঠোঁট আশ্রয় পেলো ওর পুরুষালি দুই ঠোঁটে, আমি জড়িয়ে ধরলাম ওকে, ধীরে ধীরে আমার হাত ওর পিঠ থেকে নেমে ঢুকে পড়লো ওর পেছনে প্যান্টের ভেতর, সুন্দর সুগঠিত দুই পাছা, দু হাতে টিপতে লাগলাম আমি, ও কোমোর চেপে ধরলো আমার কোমোরের সঙ্গে, দু পাছার খাঁজে আঙ্গুল ঘষছিলাম আমি, যত নীচে গিয়েছে আমার আঙ্গুল, স্পর্শ পেয়েছি দু পাছার খাঁজে গজিয়ে ওঠা লোম গুলোর, কিমোনোর সামনেটা খুলে দিলো, পুরুষ স্পর্শের জন্য ব্যকুল আমার বুক উন্মুক্ত হয়ে গেলো, জড়িয়ে ধরে ওর কাঁধে মুখ গুঁজলাম, কিছুটা লজ্জা আর কিছুটা ভালোলাগায়, বাঁ হাতে আমার বুক ধরলো আর ডান হাতে আমার কোমোর জড়িয়ে রাখলো, আমার গোপন ত্রিভূজ আর নাভির মাঝে অনুভব করলাম অভির পুরুষত্ব, আমার বুকের বৃন্ত দুটো আরো শক্ত আর তীক্ষ্ন হয়ে উঠলো ওর গরম জীভের ছোঁয়া পেয়ে, পায়ে যেন আর জোর পাচ্ছিলামনা দাঁড়ানোর, আমার শরীর গলতে শুরু করেছিলো,—“আমায় ধরো অভি,অভিইই আমায় ঘরে নিয়ে চলোওও,”পাঁজাকোলা করে তুলে খাটে শুইয়ে দিলো, আমি চিৎ হয়ে হাত পা ছড়িয়ে শুয়ে ওর দিকে তাকিয়ে থাকলাম, আমার ওপোর শুয়ে পড়ে চুমু খেতে লাগলো, ওর গলা জড়িয়ে ধরলাম আমি, ওর জীভ আমার মুখের ভেতর কিছু একটা খুঁজে চলেছে, আমার জীভ ওর মুখে খুঁজে পেয়েছে যৌবনের স্বাদ্, আস্তে আস্তে ওর মুখ নেমে এলো আমার গলায়, দু হাতে ধরা আমার দুই বুক, চুমু খেতে খেতে নেমে এলো বুকে, আমার সুতীক্ষ্ন স্তন বৃন্ত ওর মুখের ভেতরের গরম সারা শরীরে ছড়িয়ে দিচ্ছিলো, হঠাৎ ডোর বেল বেজে উঠলো, “রুম সার্ভিস”, আমি বললাম, “আমি খুলছি,” ওর প্যান্টের সামনেটা ফুলে তাঁবু হয়ে আছে, আর গত কয়েক মাসের অভিজ্ঞতায় জানি, বমি না করা অব্দি খোকাবাবু ঘুমোবেনা, নাইটিটা ঠিক করে দরজা খুললাম, আমার ভারী, অভিজ্ঞ পাছা, কামনায় উদ্ধত ৩৬ডি বুকের সুতিক্ষ্ন বৃন্তকে আড়াল করতে পারলনা হাটুঝুল আমার সাটিনের নাইটি, রুম সার্ভিস চোখ দিয়ে চাটলো আমাকে, চা এনেছে, রাতের খাবারের অর্ডার নিলো, এখন সাড়ে সাতটা, ন’টায় দিতে বললাম৷ চা খেলাম দুজনে, সোফায় বসে সিগারেট ধরালো অভি, আমি পিঠে বালিশ দিয়ে, দু পা ছড়িয়ে, দেওয়ালে হেলান দিয়ে খাটের ওপর বসলাম,—“দামী হোটেল, সাদা বিছানা, সুন্দরী নারী….ওফ্, তোমাকে নিয়ে পালাবো সুস্মি,”—“নিজের জিনিস নিয়ে কেউ পালায় ?”—“পালায়, আবার লুকিয়েও রাখে, যদি অন্য কেউ নিয়ে পালায় !”—“এভাবেই পোষ মানিয়ে রাখতে পারবেনা আমাকে ?” পা ফাঁক করে রেখেই হাঁটু দুটো উঁচু করে ভাঁজ করে বসলাম, আমার ঠিক সামনে সোফায় বসে সিগারেট খাচ্ছিলো অভি, কোনো উত্তর না দিয়ে সিগারেট এ্যাশ্ ট্রে তে ফেলে হামাগুড়ি দিয়ে খাটে উঠে এলো, মুখ নামিয়ে আনলো প্রদর্শিত প্যান্টি আবৃত আমার গোপন অঙ্গে, আমি ওর চুল ধরে মুখটা উঁচু করে ধরে বললাম, “উঁহু, ওখানে নয়, আগে এদিকে,” চুমু খেলাম ওর ঠোঁটে, মুখে সিগারেটের গন্ধ, এটা আমাকে খুব উত্তেজিত করে,আসলে মনে পড়ে কোনো এক বনজ্যোস্নায় আদিম সুখে ভেসে যাওয়ার স্মৃতি, ওর মুখ নেমে এলো আবার আমার ঊরুসন্ধিতে, পরিনত স্ত্রী অঙ্গে যুবক প্রেমিকের মুখ, ২২ বছরের প্রেমিক স্বাদ নিচ্ছে আমার পরিনত নারীত্বের, নাক, মুখ ঘষতে লাগলো চেরাতে, তাড়াহুড়ো না করে, রমনে অভিজ্ঞ পুরুষের মতন জাগিয়ে তুলছিলো আমাকে, আরো ফাঁক করে দিলাম আমি, চেরার দু পাশে কুঁচকিতে জীভ বোলাচ্ছিলো, প্যান্টি ভিজে গেলো, এবার ওর জীভের ছোঁয়া পেলাম চেরার দুই পাড়ে, প্যান্টি গুটিয়ে ঢুকেছে চেরার ভেতর, আমি কোমোর উঁচু করলাম, প্যান্টিটা খুলে দিলো ও, বুকের সাথে হাঁটু দুহাতে চেপে ধরে চিৎ হয়ে শুলাম আমি, ওর মুখের সামনে আমার গোপন অঙ্গ ফাঁক হয়ে প্রকাশিত হলো, ওর গরম জিভের ছোঁয়া লগলো আমার কোঁটে, ইলেকট্রিক শক্ লাগলো যেন, ডান হাতের দু আঙ্গুলে হাল্কা ভাবে ম্যাসাজ করছিলো আমার চেরার দুপাশের ফুলে থাকা পাড়ে, আর জীভ দিয়ে নাড়ছিলো আমার কোঁট,—“অভিইই আর কত চুষবেএএ….এবার ঢোকাওওও…” আমি আর সহ্য করতে পারছিলাম না,চেরার ভেতর দিয়ে হড়হড়ে জল চূঁইয়ে বেরোচ্ছিলো, আমি ওর গেঞ্জি খুলে দিলম, আমার পাছার কাছে হাঁটু গেড়ে বসে আমার হাঁটুর তলা ধরে পা উঁচু করে ফাঁক করে চাটতে লাগলো আমার চেরা, জীভ্ ঢুকিয়ে দিলো আমার গোপন সুড়ঙ্গে, উফফফ আমি ওর মাথা চেপে ধরলাম, এক হাতে পাছা টিপতে টিপতে আঙ্গুল দিলো পেছোনে, “উফফফ…খিড়কির দরজায় কড়া নাড়ছো কেনো ? সদর দরজাতো খোলাই আছে !” হা করে হেসে উঠলো অভি, আমি উঠে বসে ওর প্যান্ট টেনে খুলে দিলাম, প্রায় ৭ ইঞ্চি লম্বা আর বেশ মোটা, ওপর দিকে অল্প বাঁকা মাত্র দু মাসের অভিজ্ঞ পুরুষাঙ্গ, ও প্যান্ট খুলে ফেললো, আমি নাড়তে লাগলাম ওটা মুঠো করে ধরে, ধাক্কা দিয়ে শুইয়ে দিলো আমাকে, আমি হাঁটু না তুলে অল্প ভাঁজ করে দু পা ফাঁক করে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়লাম, আমার দু পায়ের ভেতর বসে ওটা ঢুকিয়ে দিলো আমার মধ্যে, একটা মিষ্টি আওয়াজ করে খোকা ঢুকে পড়লো খুকুমনির ভেতর, এক এক জনেরটা এক এক রকম আওয়াজ করে ঢোকে, দীর্ঘঅভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শিক্ষা এটা,—“উউউফফফ…ডান্ডাটা কি বানিয়েছোওওও…”—“তুমিই তো বানালে…”চোখ বুজিয়ে মুখদিয়ে নিশ্বাস নিচ্ছিলাম আমি, করতে করতে ঠোঁটে চুমু খেলো আমার, ভিষন ভালো লাগলো, আমার মুখের দিকে তাকিয়ে করে যাচ্ছিলো, আর ওর মুখ দিয়ে হুম্ হুম্ আওয়াজ হচ্ছিলো, তাকালাম, কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম, হাত দিয়ে মুছিয়ে দিলাম, আমার শরীরে সুখের তীব্রতা বাড়ছিলো ক্রমশঃ, করা থামিয়ে আমার স্তন বৃন্তে মুখ দিলো, চুমু খেলো, মুখের ভেতর নিলো একটা বৃন্ত, আমি ওর গলা জড়িয়ে ধরলাম,—“থামলে কেনো ? করো করো, উফফফফ থেমোনা প্লীজ্….” তলা থেকে কোমোর তুলে ঠাপ দিতে দিতে বললাম,আমার বুকে মুখ গুঁজে করতে লাগলো, আমার শরীরে শিহরন, প্রান পনে জড়িয়ে ধরলাম অভিকে, দু হাত, দু পা দিয়ে,—“জোরে জোরে করো, হ্যাঁ হ্যাঁ জোরে জোরে ওওওওঃ মাগোওও আআআআআ…….” সুখে শীৎকার করে উঠলাম,—“তোমার ভলো লাগছে ?”—“হ্যাঁ হ্যাঁ ভিষন…ভিষন ভালো ইইইইইইইসসসসসসস…….আমার আসবে সোনা, জোরে জোরে করো থেমোনা উউউউউউ ভিষন ভালো করছো ….” তীব্র সুখ উঠে আসছিলো আমার কোঁট থেকে তলপেট হয়ে মাথার ভেতর,—“তোমার ভেতরে কি গরম, গলে যাচ্ছি আমি,”—“না না না আর একটুউউ ফেলোনা ফেলোনা প্লীজ্ আমার হয়ে আসছেএএ জলখসাও আমার আআআআআ….”—“আমার হয়ে যাবে সুস্মিইই…….”আমি ওর মলদ্বার আর অন্ডকোষের মাঝের শীরাটা টিপে ধরলাম, থেমে গিয়ে চুমু খেতে লাগলো আমায়, আমি কয়েক মিনিট টিপে ধরে থেকে ছেড়ে দিলাম, পতনোন্মুখ বীর্যের গতিরোধ হলো, গত দু মাসে ও বুঝে গিয়েছে ওর বীর্য পতন নির্ভর করছে আমার ইচ্ছার ওপর, করতেলাগলো আবার, আমার সারা শরীরে তীব্র সুখের অনুভূতি, সমস্ত শরীরে, পেশীতে, যোনীতে তীব্র সুখের সংকোচন,—“আমি আর পারছিনাআআআআ অভিইইই জোরে জোরে আরো জোরে ঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈ ………”তলা থেকে ওর কোমোরের ঠাপের তালে আমিও কোমোর ঠেলছিলাম,—“ঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈ আমাকে ধরোওওওওও চেপে ধরোওওওওওও অভিইইইইই জলখসছে জলখসছেএএএএএ ঈঈঈইইসসসস……”তীব্র সুখে জলখসালাম, ফোয়ারার মতন বেরোলো আমার শান্তি জল, ওর কোমোরের দোলা ক্রমশঃ দ্রুত হতে লাগলো, হঠাৎ আমার বুক দুটো খামছে ধরে গল গল করে ঢেলে দিলো সাদা বীর্য আমার ভেতরে, তার পর আমার বুকে উপুড় হয়ে শুয়ে হাঁফাতে লাগলো, আমি ওর গলা জড়িয়ে চুমু খেতে খেতে আদর করতে লাগলাম, “আই লাভ ইউ অভি, আমি তোমাকে ভালোবাসি, ভিষন ভিষন ভিষন ভালোবাসি,” ক্লান্ত হয়ে আমার বুকের ওপর শুয়ে উঁ উঁ উঁ করে আদর খেতে লাগলো, ওর বীর্য আর আমার শরীর সুখের জল মিলেমিসে গড়িয়ে পড়ছিলো আমার চেরা দিয়ে, ভিজে যাচ্ছিলো আমার খিড়কির দরজা আর বিছানার চাদর, “ওঠো, মুছতে হবে, ইসস্ চট চট করছে, সবটা ঢেলে দিয়েছো ? বাকি রাতের জন্য রেখেছোতো ?” উঠে বসে বালিসের তোয়ালে দিয়ে মুছে দিলো, মুছে নিলো নিজের টাও, বাথরুমে গেলাম আমি, নিজেকে একটু ঠিকঠাক করে নিলাম, অভি বিছানায় হাত পা ছড়িয়ে জন্ম দিনের পোষাকে শুয়ে আছে, ডোরবেল বেজে উঠলো, আবার রুমসার্ভিস, রাতের খাবার দিতে এসেছে, অভি তাড়াতাড়ি প্যান্টটা পড়ে দরজা খুলে দিলো, আমি সবে বাথরুম থেকে নাইটি পড়ে ঠিকঠাক হয়ে বেরিয়েছি, সাদা প্যান্টিটা ব্রাউন সোফার ব্যাকরেস্টে, লোকটার দৃষ্টির সামনে নিজেকে উলঙ্গ মনে হলো, প্যান্টিটা চোখে পরলো লোকটার, আমার দিকে তাকালো, শিউরে উঠলাম আমি, খাওয়া হয়ে গেলে থালাবাটি নিয়ে যতে আসবে বললো, আমি বললাম ডিস্টার্ব না করতে, ওগুলো দরজার বাইরে রেখে দেবো, কিছু না বলে আর একবার আমায় চোখ দিয়ে চেটে চলে গেলো৷খাওয়ার পরে চুল আঁচড়ে, আমার রাত প্রসাধনের সরঞ্জামের ছোটো হাত ব্যাগটা নিয়ে বাথরুমে ঢুকলাম, যথারীতি প্রত্যেক দিনের মতন পুরো শরীরে বডিওয়েল মাখলাম, তারপর ব্রেস্ট ম্যাসাজ, আমি গ্ল্যান্ডিনার ব্যবহার করি, সব শেষে এ্যান্টি এজিং ক্রীম, মিনিট ৪০এর মতন সময় লাগে, সরাদিনে ঘন্টা দেড়েক আমি নিজের জন্যে রাখি, সকালে এক ঘন্টার মতন যোগাসন আর রাতে এই ৪০মিনিট, এটুকু সময় নিজের জন্যে দি বলেই এখনো আমি পুরুষদের স্বপ্নে আসাযাওয়া করতে পারি, বেরোলাম, অভি খাটে বসে দেওয়ালে হেলান দিয়ে সিগারেট খাচ্ছে, আমি ওর কাছে বসলাম, “দাও আজ আমিও সিগারেট খাবো,” ওর থেকে সিগারেট নিয়ে দুটো টান দিতেই গলায় লেগে খক্ খক্ করে ভিষন কাশি শুরু হলো, জল টল খেতে থামলো, আমি ওর বুকে হেলান দিয়ে আধ শোয়া হলাম, “ইস্ এই কষ্টকর নেশা কেনো যে করো কে জানে !”“আরামদায়ক নেশা কী বলো আমাকে, তাহলে সেটাই করি,”—“দু মাসে নেশা ধরেনি ?” আমি বুকে হাত বোলাতে বোলাতে মুখটা ওর দিকে তুললাম,বাঁ হাতে আমায় জড়িয়ে ডান হাতে মুখটা ধরে ঠোঁটে চুমু খেলো, “সুস্মি, তোমার গায়ে এতো মিষ্টি গন্ধ কি করে হয় ?”—“ও তোমার মনের ভুল, তুমি আমায় ভালোবাসোতো, তাই তোমার মনে হয়,”—“আমায় তুমি কেনো ভালোবাসলে ? আমিতো কোনোদিনই নিজেকে তোমার যোগ্য মনে করিনি !” আদর করতে করতে বললো,ওর পেটে রামচিমটি দিলাম, “তাই বুঝিইই, তাহলে আমার অত প্রিয় প্যান্টি আর ব্রেসিয়ার সেটটা আমি তোমার বিছানার তলায় রেখে এসেছিলাম, তাই না ?”—“সেদিন যখন বুঝলাম ধরাপড়ে গিয়েছি অথচ তুমি কাউকে জানালেনা, আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম,”—“কি করতে ? ওগুলো নিয়ে ?”—“রাতে ওগুলো জড়িয়ে শুতাম, শুঁকতাম, চুমু খেতাম, আর ওগুলো দেখতে দেখতে তোমায় ভাবতাম, আর তোমার কথাভাবলেই হাতদিয়ে মাল বের করতাম, কিন্তু তুমি আমায় ভালো বাসলে কেনো ?”—“ভাবলাম যে আমার প্যান্টি ব্রেসিয়ারকে এতো ভালোবাসে তাহলে আমায় আরো বেশী ভালোবাসবে,…তাই,”—“আচ্ছা তোমার জীবনের ভালোলাগার দিনটা বলো,”—“উঁ উঁ উঁ যেদিন বুঝলাম আমার পেট বেঁধেছে,”—“সত্যি টা বলো না প্লীজ্,”—“যে দিন রিঙ্কু জন্মালো, আমার দুধ প্রথম যে দিন খেলো,” আমি ওর গলা জড়িয়ে বললাম,—“ধ্যাত্ ও তো সব মেয়েদের, তোমার নিজেরটা বলো,”আমি হাসতে হাসতে বোললাম, “সেই সন্ধ্যেটার কথা কোনোদিন ভুলবোনা, যেদিন তুমি আমার প্যান্টির ওপর ঘষে ফেলে দিয়েছিলে,”—“আর এখোন ?”—“তুমি আমার স্বপ্নের পুরুষ,”ও আমার বুক জোরে জোরে টিপছিলো, আমি বুঝতে পারছিলাম, আবার নেবে, সময় হয়েছে, খুব জোরে জোরে ডলছিলো, বোললাম,—“নিজের জিনিষ, যত্নো করলে সারাজীবন সুন্দর থাকবে, না হলে ঝুলে বিচ্ছিরি হবে,” আস্তে আস্তে টিপতে লাগলো, আমি ওর বুকের চ্যাপ্টা বৃন্ততে আঙ্গুল দিয়ে সুরসুরি দিচ্ছিলাম, এবার চূষতে লাগলাম, ও আরামে উ উ উ উ করে উঠলো, কোমোরের কাছে ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে ওঠা পুরুষাঙ্গের ছোঁয়া পাচ্ছি, আদুরে গলায় বোললাম, “একটা অনুমতি দেবে ?”—“বলো,”—“আগে বলো অনুমতি দেবে,”—“দোবো বলো,”—“আমি চাকরী করবো ?”—“চাকরী ? কোথায় ?”—“স্বামী বিবেকানন্দ জন সেবা কেন্দ্র, তোমায় বলা হয়নি, ভদ্রলোক তোমার দাদুকে নিজে এসে বলেছেন, আমাকে আর ছোটোকে চাকরী করার জন্য, ছোটো যাবেনা,”—“তা দাদু কি বললো ?”—“পারমিশন দিয়েছে, বলেছে ‘যাও বড় বৌমা, বাড়ীতে বন্দি থাকলে মানসিকতা খারাপ হয়ে যাবে, বাইরে বেরোও মানুষের সাথে মেশো, মন বড় হবে, মন ভালো থাকবে,’ এবার তুমি যদি পারমিশন দাও তবেই …..” আমি ওর বুকের বৃন্ত চুষতে চুষতে জীভ দিয়ে নাড়তে লাগলম, আমায় আদর করতে করতে বললো, “নিশ্চই যাবে, এতো ভালো কথা, আর বাড়ীর কাছে, চেনা জানা সবাই, কর্নেল বুড়ো বোধ হয় একা পারছেননা, তাই বিশ্বাসী কাউকে চাইছে,”—“হ্যাঁ ঠিক বলেছো, আমারো তাই মনে হয়,…. ওঁনার নাম কর্নেল বুড়ো ?”—“ভালো নাম কি তা কে জানে, মিলিটারীতে কর্নেল ছিলো, তাই…..”নাইটির কোমোরের বাঁধন খুলে আমার সামনেটা অনাবৃত করে দিলো, ওর বাঁ হাতে মাথা রেখে চিৎ হয়ে শুয়ে ছিলাম আমি, ডান হাতের আঙ্গুল দিয়ে সুরসুরি দিচ্ছিলো আমা ঠোঁটে, চোখ বুজিয়ে উপভোগ করছিলাম পুরুষালি আদর, মাঝে মাঝে চুমু খাচ্ছিলো আমায়, ঠোঁটে, গালে, ধীরে ধীরে ওর হাত ছুঁলো আমার বুক, আমার সুগঠিত নরম নারীত্ব ভিজিয়ে দিলো অভির জীভ, আমার হাত খুঁজে নিলো কঠিন পৌরুষ, দুজনেই জন্ম দিনের পোষাকে, আমার বুকের ওপর শুলো অভি, পা দুটো ফাঁক করে দিলাম, অনেক্ষন ধরে শরীর রসে পিচ্ছিল আমার স্ত্রী অঙ্গ, ওর কঠিন পৌরুষ সেই পিছল পথে যাতায়াত করতে লাগলো, সারাদিনের জার্নিতে ক্লান্ত শরীর ওর পৌরুষের কাছে হার মানলো, ভেতরটা কেঁপে উঠলো আমার, প্রানপনে জাপটে ধরলাম ওকে, ডিসচার্জ হলো আমার, আস্তে আস্তে পা দুটো জড়ো করলাম, ঊরু দুটো চেপে ধরলাম একসাথে, আর যোনির ভেতরের সংকোচন,…. গরম বীর্যে ভরে গেলো আমার ভেতরটা, ধীরে আলাদা হলাম আমরা, সুখের ক্লান্তি উপভোগ করতে করতে কখন ঘুমিয়ে পরেছিলাম জানতে পারিনি৷



রৌদ্রস্নাত দুপুরেবিছানায় আধশোয়া হয়ে বই-এরছবি দেখছি। হঠাৎ মেয়েলিকণ্ঠ ভেসে এল, আসতে পারি?বইটি তাড়াতাড়ি বিছানারতলায় লুকিয়ে ফেললাম। একসুন্দরী যুবতী মহিলা দরজারসামনে দাঁড়িয়ে ভিতরে আসারঅনুমতি চাইছে, মহিলাবিবাহিতা। পাশের ফ্লাটেএসেছেন নতুন। দেখেছি, আলাপহয়নি। স্বামী-স্ত্রীনববিবাহিতা সম্ভবত। মহিলার পরনে হাল্কা সবুজসিফন শাড়ি, সাথে ম্যাচিং করাব্রা-কাট ব্লাউজ। দারুনলাগছে। আমি সুন্দরেরপুজারী, সুন্দরী মহিলাদেখলে বেহায়ার মত আলাপ করতেএগিয়ে যাই। আর এতো মেঘ নাচাইতে জল। আমার দরজায়দাঁড়িয়ে অনুমতির অপেক্ষায়, বেশ-বাস ঠিক করে উঠে বসেবললাম, আরে, আসুন-আসুন। কিসৌভাগ্য আমার–। নমস্কার। আমার নাম জবা। পাশের ফ্লাটে থাকি। নতুনএসেছি, কাউকে চিনি না। ঘরেবসে একা-একা বোরলাগছিল। আপনার দরজা খোলাদেখে ঢুকে পড়লাম। যাই আলাপকরে আসি। বিরক্ত করলাম নাতো?তিলমাত্র না। কি যেবলেন, আপনি আসায় ভালইলাগছে। আমার নাম বাধন। আপনিজবা মানে জবাফুল। আপনিফুলের মত দেখতে। জবার রংলাল, জানেন লাল রং আমারপ্রিয়। যাঃ, আপনি বেশ কথাবলেন–। লাজুক মুখে বলে জবা। কেন? মিথ্যে বললাম? আসলেসুন্দরী মহিলা দেখলে আমারমুখে খই ফোটে। আমি মোটেই সুন্দরীনা। মাটির দিকে তাকিয়ে বলেজবা। এটা আপনার বিনয়, না-হলে বলবআপনি আপনার রুপ সম্পর্কেসচেতন নন। আপনিও খুব সুন্দর। আমরাপরস্পর বন্ধু হতে পারি কি?আপনার মত বন্ধু পাওয়াসৌভাগ্য মনে করি। বলুনবন্ধু কি সেবা করবো আপনার?ঠাণ্ডা না গরম?সকালে আমি ড্রিঙ্ক করিনা। আচ্ছা আপনি আমাকে বলছেনবন্ধু আবার তখন থেকেআপনি-আপনি করে যাচ্ছেন?বুঝতে পারছি মুখে বললেও মনেমনে বন্ধু বলে স্বীকার করেনিতে বাধছে?
না-না জবা, তুমি আমাকে ভুলবুঝোনা। তুমিও কিন্তু আপনিবলে যাচ্ছো। না গো বন্ধু, ঘনিষ্ঠ বাঁধনেবাঁধবো তোমায় বাধন। আমিও বন্ধুত্বের বাঁধনেবন্দী হতে চাই। আচ্ছা তুমি কি বই পড়ছিলে?আমায় দেখে লুকালে। দেখতেপারি কি?অবশ্যই পারো। তবে এখন নয়। স্যরি, তুমি আমাকে কাছেরমানুষ হিসেবে মেনে নিতেপারোনি। এ কথা কেন বলছো জবা? তুমিজানো না এই অল্প সময়ে তুমিআমার মনে কত খানি জায়গা করেনিয়েছো। তা হ’লে দেখাতে আপত্তি কেন?মাথা নীচু করে বলি, এটাপর্ণোগ্রাফি বই, গুপ্তাঙ্গের ছবি আছে। তোমাকে দেখাতে লজ্জাকরছিল। ছবি দেখেই তৃপ্তি? বন্ধুতুমি একটু ভীরুপ্রকৃতি। ঠিক বলিনি?মনের মধ্যে গান বেজেউঠল, নাই নাই ভয় হবে হবেজয়…….। জবার কোমর জড়িয়ে ধরেকাছে টেনে গালে চকাম করেচুমু খেলাম। জবাও পাল্টাআমাকে ফেরৎ দিল। জড়াজড়িতে ওর বুকের আঁচলখসে পড়ল। মুচকি হেসে আঁচলকাধে তুলতে গেলে বাধা দিয়েবললাম, থাক না সোনা, বুকে যখনথাকতে চাইছে না কেনটানাটানি করছো? একটু দেখি–। খিল খিল করে হেসে ওঠেজবা। যেন এক রাশ মুক্তোছড়িয়ে দিল। থর থর করে কাপতেথাকে বুক। চোখ ছোট করে আমারদিকে তাকিয়ে বলে, এ্যাইদুষ্টু শুধু দেখবে, না কি–দেখো না কিকরি। বন্ধুত্বের প্রথমদিনচিরস্মরণীয় করে রাখবো। আমি ওর বুকে মুখ গুজেদিলাম। মাই-য়ের খাঁজে মুখঘষতে ঘষতে ঘাড়ে গলায়, শেষেচিবুকে চুমু দিলাম। ব্লাউজশুদ্ধ একটা মাই মুঠো করেধরে আস্তে আস্তে চাপতেথাকি। কোমল ঠোটদুটো মুখেনিয়ে চুষতে লাগলাম। জবাওআমার মুখে তার লালায়িত জিভভরে দিয়ে সহযোগিতা করতেথাকে। জিভ চুষতে চুষতেব্লাউজটা টেনে খুলেদিলাম। ধবধবে ফর্সা নিটোলমাইজোড়া এখন আমারসামনে। মাইদুটো টিপতেটিপতে জিজ্ঞেস করি, বেশিব্যবহার হয়নি মনে হচ্ছে? হাসে, কি করে হবে?আমারবিয়ে হয়েছে এইতো সবে তিনমাস। বিয়ের পর কিছুদিনতারপর ওর তো আর সময়হয়না। অফিস, অফিস আরঅফিস। অফিস আমার সতীন। দুধ টীপতে টিপতে বললাম, দুঃখ কোর না। তোমার বন্ধু তোআছে। দুধ টিপতে টিপতে কিসমিশেরমত বোটা দু-আঙ্গুলে মোচড়দিতে দিতে জবার মুখে গলায়বুকে মুখ ঘষছি ঠোটচুষছি। জবা সুখে উঃ আঃ শব্দকরতে লাগল। চোখের পাতাবন্ধ। একটান মেরে শাড়িপেটিকোট খুলেদিলাম। তানপুরার মত ফর্সানির্লোম পাছাউন্মুক্তহল। রেশমী বালেঘেরা তালশাসের মত ফোলাগুদ। গুদের চেরার ধারকালচে, যেন কাজল টানা চোখ। এই ধরনের মাগীরা খুব কামুকহয়। নীচু হয়ে নাক লাগিয়েঘ্রান নিলাম, মাদকতা ছড়িয়েপড়ল সারা শরীরে। জবাকে বললাম, রাণী তুমিখাটে ভর দিয়ে দাড়াও। সেকনুইয়ে ভর দিয়ে পাছা উচুকরে ইংরাজি ‘এল’ অক্ষরের মতদাড়াল। আমি পাছার উপর গালঘষতে লাগলাম। ঠাণ্ডা পাছাঘষা লেগে রোম খাড়া হয়েগেল। বাবুই পাখির বাসার মতমাইজোড়া ঝুলছে। আমি বগলেরতলা দিয়ে হাত গলিয়ে দু-হাতেমাই টিপতে লাগি। পিঠের উপরউঠে কাধে কামড় দিলাম। তুমি কি করছো? আমার গুদেআগুন জ্বলছে। তোমাকে সুখ দেবরাণী। সুখের সাগরে ভাসবে। রাজা যা করার তাড়াতাড়িকরো। আমি আর পারছি না। আমি বাড়ার চামড়া ছাড়িয়েপাছার ফাকে ঠেকাতে জবাবলে, কি করবে, upper না lower?মানে ?বোকাচোদা, তুমি একেবারেনবীশ। মানে গাঁড়ে না গুদে ?ও, প্রথমে গুদে ঢোকাই?যা ভাল লাগে তাই করো। আমারগুদে জল কাটছে। এবার শুরুকরো। কি শুরু করবো রাণী?আহা ন্যাকা, আমাকে চুদবে। গুদ কাম রসে পিচ্ছিল তাইমৃদু চাপ দিতে পকাৎ করেপুরোটা ঢুকে গেল। জবা আউককরে শব্দ করল। তোমার বাড়াটা বেশ বড়। আমারবরেরটা এত বড় নয়। গাঁড়েঢোকালে কষ্ট হবে। জবার পিচ্ছিল গুদে বাড়াটাপচ পচ ভচ ভচ করে গুদেরদেওয়াল ঘেষে যাওয়া আসা শুরুকরলো। জবা বিছানায় মুখ গুজেসুখে গজরাতে লাগল। মিনিটকুড়ি চোদার পর তল পেটেরনীচে চিন চিনে ব্যথা অনুভবকরলাম। বুঝলাম আর ধরে রাখাসম্ভব নয়। জবাকে জানানদিলাম, রাণী এবার ঢালছি। হ্যা রাজা, আমারও বেরোবেবেরোবে করছে। জোরে চেপে ধরি জবাকে, চিবুকদিয়ে পিঠে চাপ দতে থাকি। গলগল করে উষ্ণ বীর্য জবারগুদে ঢেলে দিলাম। জবাওগুদের জল খসিয়েদিল। কিছুক্ষন ওর পিঠে শুয়েথেকে ধীরে ধীরে উঠলাম। জবামুচকি হেসে বলল, খুব সুখদিলে জান, তবে একটু –তবে কি রাণী?আর একটু প’রে ঢাললে ভাল হত। ঠিক আছে আমি তো আছি। পরেরদিন upper করবো। দুটোই করতে হবে। ঠীক আছে রাণী তুমি যাবলবে। এ্যাই তোমার থাই দিয়েমাল গড়াচ্ছে। ভাল করে মুছেনাও। একটা ন্যাকড়া দিলাম। জবা গুদ মুছে শাড়ি পরে বলল, রাজা, যেতে ইচ্ছে করছে নাতবু যেতে হবে। কাছে এসে গলাজড়িয়ে চুমু খেল। পরেরদিন সকাল। আমি বাথরুমসেরে হাত-মুখ ধুয়ে বের হতেইবেল বেজে উঠল। আমার কোমরেজড়ানো তোয়ালে, চেঞ্জ করাহয়নি। এতো সকালে জবা কিভাবেআসবে?ওর বর কি এত সকালেঅফিসে বেরিয়ে যায়? সাত-পাঁচভাবতে ভাবতে দরজা খুলতেঢুকল জবা। হাসতে হাসতেবলল, একটু আগে দু-দিনের জন্যঅফিস-ট্যুরে গেল। আমি এখনমুক্ত। এই দু-দিন আমি, আমারমাই গাঁড় গূদ সব তোমার। তুমিইচ্ছেমত আমাকে নিয়ে যা খুশিকর।
আমাকে জড়িয়ে ধরল। ওর নরমমাইদুটো আমার বুকে চেপে ধরেচুষে আমার শরীর লালায়মাখামাখি করে দিল। আমি ওরমুখে গাঢ় চুমু দিয়ে জিজ্ঞেসকরি, কি ব্যাপার এত ক্ষেপেগেলে রাতে গাদন দেয় নি?দেবে না কেন? কিন্তু তোমারগাদন খাওয়ার পর ইচ্ছে করছিলনা চোদাতে। কি করব, শত হলেওস্বামী। আবার ল্যাংটাহলাম, ছোট্ট নুনু দিয়েখোচাখুচি করল। পুচ পুচ করেঢালল ক’ফোটা। তোমার গাদনখাবার পর অন্য গাদনে কি মনভরে আমার রাজা?কিন্তু আমার যে অফিস আছেরাণী। সে আমি জানি না। তুমিনিশ্চিন্তে অফিস করবে আরতোমার রাণী গুদের জ্বালায়ঘরে বসে জ্বলবে?মুস্কিল হল। মাগী পাওয়াদুষ্কর কিন্তু জুটলেএকেবারে আঠার মত লেগেথাকে। কি করে রেহাই পাবোভাবছি। খানকিটার বরদু-দিনের জন্য বাইরে গেছেসে জন্য আমি দু-দিন ঘরে বসেওকে চুদবো?কি ভাবছো রাজা? মুখে দুষ্টুহাসি। আমার তোয়ালে ধরে টানদেয়। নেতানো বাড়াটা হাতিরশুড়ের মত ধীরে ধীরে উপরেউঠতে লাগলো। জবার চোখছানাবড়া। হাত দিয়ে নেড়েদিল। তালের ডেগোর মত নড়তেথাকে। দেখলাম জবার মুখেখুশি ও ভয়ের আলোছায়ারখেলা। যদিও কাল চুদিয়েছে এইবাড়া দিয়ে। অবশ্য তখনউত্তেজনায় কিছু ভাবারঅবকাশ ছিল না। ওমা, এযে একেবারে রেডি? নাওতাড়াতাড়ি ঢুকাও। জবা গাউন থেকে একটা মাই বেরকরে আমার মুখে গুজেদিল। বুঝলাম এক পশলা নাঝরিয়ে ছাড়বে না। আমি দুধচুষতে শুরু করি। গা-থেকেগাউন নামিয়েদিলাম। দু-আঙ্গুলে গুদে চাপদিতে ভগাঙ্কুর দেখাগেল। আঙ্গুল ছোয়াতে জবালাফিয়ে আমাকে জড়িয়েধরল। বিছানায় চিৎ করে ফেলেপকাৎ করে ঢুকিয়ে ভচ ভচ করেচুদতে শুরু করলাম। কি করছো গো, গুদ ফাটাবেনাকি?তুমি আমার রাজা, আমারকেষ্ট-ঠাকুর। তোমারবাঁশিখান বেশ লম্বা। রাধামজেছিল বাঁশির সুরে আমিমরবো বাঁশির গুতোয়। মনে মনে ভাবি প্রাইভেটফার্ম, যখন ইচ্ছে অফিস যাবতাহলে আর চাকরি থাকবেনা। এদিকে ডাশা মাল ছেড়ে চলেযাবার শক্তিও আমারনেই। তখনকার মত কোনভাবে গুদচুদে ওকে ঠাণ্ডা করে শান্তকরলাম। স্নান সেরে বেরিয়েগেলাম অফিস। ক্যাণ্টিনেখেয়ে নেব। বিকেল বেলা অফিস থেকে ফিরেসরাসরি চলে গেলাম জবারফ্লাটে। জবা আমার জন্যঅপেক্ষা করছিল। সদ্য ঘুমথেকে উঠেছে, চোখদুটো ফোলাফোলা। আমাকে দেখে উৎফুল্লহয়ে বলল, তুমি বাথ রুমে গিয়েফ্রেশ হয়ে নাও। আমি তোমারখাবার করছি। তারপর–তারপর কি রাণী?ন্যাকাচোদা! তারপর শুরুহবে রাধা-কেষ্টোরলীলা-খেলা। জবা মুচকি হেসেচলে যায় রান্না ঘরের দিকে। আয়ানঘোষ যদি দেখে?তখন আমার কেষ্ট-ঠাকুরআমাকে রক্ষা করবে। আমি বাথ রুমেগেলাম। গায়ে-মাথায় জল দিয়েফ্রেশ হয়ে ল্যাংটো হয়ে বাড়াদোলাতে দোলাতে বেরিয়েএলাম। জবা খাবার নিয়ে রেডিহয়ে বসে আছে। তুমি কি ল্যাংটো হয়ে থাকবেনাকি?তোমার লজ্জা করছে? দাঁড়াওতোমার লজ্জা ভেঙ্গে দিই। ওরগাউন খুলে দিলাম। দু-জনে ল্যাংটো হয়েপাশাপাশি বসে খেতে শুরুকরি। ফিশ-ফ্রাই করেছে, কড়াকরে ভাজা। ওর গুদে ছুইয়ে এককামড় দিলাম। বেশকরেছে, মাগীর গুণ আছে। জবাআমার বিচি নিয়েখেলছে। বাড়ার ছাল ছাড়ায়আবার ঢাকে। লাল টুকটুকমুণ্ডিটা দেখে বলে, তোমারডাণ্ডাটা দেখলে সব মেয়েরখুব লোভ হবে। এটা ঢুকলে যেকি সুখ ভাবা যায়না। মনে হয়ঢোকানো থাক সারাক্ষন, বেরকরতে ইচ্ছে হয়না। এই রাণী আজ এটা মুখে নিয়েচুষবে। জবার নাক কুচকে যায় বলে, এমাগো ছিঃ!ছিঃ বলছো কেন রাণী? তোমারবর তোমাকে দিয়ে চোষায় না?ফ্যাদা খাওনি কখনও?শুনেছি নাকি দারুনখেতে, আমি খাইনি কোনদিন। আজ তোমার রস খাবো। গুদের রসখেতে পেলে মানুষ আর মদেরনেশা করতো না। জবা অবাক হয়ে আমার কথাশোনে। আড়চোখে আমার বাড়ারদিকে দেখে বলে, তুমি আমারগুদ চুষবে?পেচ্ছাপের জায়গাচুষতে তোমার ঘেন্না করবেনা?প্রথমে ঘেন্না করেছিল এখনলোভ হয়।
প্রথমে মানে? আগেও চুদেছোনা কি?চুদবো না কেন, না-চুদলেবাঁচতাম?তুমি তো বিয়ে করোনি তাহলেকাকে চুদলে?লক্ষী রাণী আমার, ওকথাজিজ্ঞেস কোর না। এইযে তোমায়চুদছি তুমি ছাড়া কেউ জানবেনা। এটা আমি একান্ত গোপনরাখি। রাগ করলে না তো?না, রাগ করার কি আছে। তোমারএই নীতি ভাল। তুমি তোমারবন্ধু-বান্ধব কাউকে বলবে নাআমাকে চোদার কথা?না। কাউকে বলবো না। এরসঙ্গে জড়িয়ে আছে তোমারসম্মান। তোমাকে দেখছি আর অবাকহচ্ছি। সত্যি রাজা মেয়েরাতোমার কাছে খুব সুখীহবে। তুমি তাদের এত সম্মানকরো। আমার বরের কাছে আমি মালফেলার যন্ত্র ছাড়া কিছু না। আমাদের খাওয়া-দাওয়াশেষ। আমি বাড়াটা ওর মুখে ভরেদিলাম। ও চুষতে লাগল। চোখেরতারা আমার দিকে। আমিজিজ্ঞেস করি, খারাপ লাগছে?জবা হাসল, গালে টোল ফেলেবলল, খুব ভাল লাগছে। আমি বললাম, দাঁড়াও তুমিশুয়ে পড়ো। দু-জনে 69-হয়েদু-জনেরটা চুষি। জবা নীচে আমি উপরে, আমারবাড়াটা ওর মুখে পুরেদিলাম। দুই-জাং দুদিকে সরিয়ে দিতে ফুলের মত ফুটেগেল গুদ। আমি জিভ ঢুকিয়েদিতে জবা হিস হিস করেওঠে। ভগাঙ্কুরে জিভেরস্পর্শ লাগতে জবার শরীরমুচড়ে উঠল। জবার ঠোটের কষবেয়ে গ্যাজলাবেরোচ্ছে। আমি প্রানপণচুষে চলেছি। জবা হিসিয়ে উঠেবলে, মুখ সরাও আমি এবার জলছাড়ব। মুখ সরাব কি, এত কষ্ট করেবার করলাম। তুমি মুখ সরাতেবলছো?চুক চুক করে সবটা রস খেয়েনিলাম। স্বাদ খারাপ নয়, তবেপরিমাণ কম। আমাকে অবাক হয়েদেখছে। ভাবেনি ওর গুদেররসের এত মুল্য হতেপারে। আমাকে বলে, আমিও তোমারফ্যাদা খাবো। খাও, দেখবে নেশা ধরে যাবে। জোরে জোরে চুষতে শুরুকরল। এমন করে বাড়া চুষছে যেনকতদিন কিছু খায়নি। চোষারচোটে আমার বাড়া একেবারেকাঠ। আমিও কোমর দুলিয়ে ওরমুখে ঠাপন দিতেথাকি। কিছুক্ষন পর ব্লকব্লক করে মাল ছেড়েদিলাম। চেটে পুটে খেয়ে নিলজবা। জিজ্ঞেস করি, খারাপলাগলো?মিষ্টি না টক না অদ্ভুত একস্বাদ। দারুন লাগল। জবা হাপিয়েগেছে। চোখে-মুখে তৃপ্তিরভাব। আমি ওকে জড়িয়ে ধরে চুমুদিলাম। ও আদুরে মেয়ের মতআমার মুখে বুকে মুখ ঘষতে থাকে। আমি ওকে বলি, রাণী এবার উপুড় হও। জবা উপুড় হয়ে বলে, এখন গুদেনয়। গাঁড়ে ঢোকাও। একটুআস্তে, আগে কখনো নিই নি। ঠিক আছে, ব্যথা লাগলে বোলো। দু-হাতে পাছা ফাক করতে তামার পয়সার মত ছোট ছিদ্র দেখা গেল। বাড়াটা ঠেকিয়ে চাপ দিতে চিৎকার করে ওঠে, উর-ই, উর-ই-ই-ই। মরে যাব। ভয়ে নেমে পড়ি। জবা হাফাতে-হাফাতে বলে, একটু ক্রীম-ট্রিম দিয়ে নাও। জবা উঠে ড্রেসিং টেবিলথেকে একটা ক্রীম নিয়েএল। আমি তর্জনিতে লাগিয়েআঙ্গুলটা গাঁড়ে ভরেদিলাম। নিজের বাড়াতেওলাগালাম। আবার ওর পিঠে উঠেবাড়া ঠেকিয়ে চাপ দিতে পুড়পুড় করে ঢূকতে লাগল। জবা’উম-উম-উম’ করে শব্দ করছে। আমিধীরে ধীরে চাপি আবারমুণ্ডিটা ভিতরে রেখে বারকরি। জবা আঃ-আঃ আওয়াজকরে। জিজ্ঞেস করলাম, ভাললাগছে রাণী?হু-উ-ম। গাঁড়ের সংকীর্ণ পথ ঠেলেবাড়া ঢুকছে আবার বের হচ্ছে। জবা এতক্ষনে একটু স্থিত হয়েছে, রাজা আমার খুব ভাল লাগছে। আমার বর একবার চেষ্টা করেছিল, বোকাচোদা ঢোকাতে পারে নি। গাঁড়েও যে এত সুখ জানতাম না। কি আরাম পাচ্ছি তোমায় বোঝাতে পারব না। বেশ কিছুক্ষন চোদার পর ফোচফোচ করে ওর গাঁড়ে মাল ঢুকতে লাগল। আমি ওর পিঠে শুয়ে থাকলাম। ও বলল, বাড়া গাথা থাক। তারপর আমি ওকে কোলে বসালাম। গাঁড়ের থেকে মালচুইয়ে পড়ছে আমার কোলে বুঝতে পারছি। ওর কাধে চিবুক রেখেদু-হাত বগলের নীচ দিয়েঢুকিয়ে ওর মাই চেপেধরি। আবার হাত সরিয়ে গুদেরমধ্যে আংলি করি। জবা আমারবুকে হেলান দিয়ে বসে বসেউপভোগ করে। জানো রাজা, ইচ্ছে করে আমরাচিরকাল এইভাবে বসে থাকি। সবার সব ইচ্ছে কি পুরণ হয় রাণী?কথা দাও, সুযোগ পেলেই আমাকেচুদবে। আচ্ছা কথা দিলাম।
কী হয়েছে বাবা? এটা জাস্ট একটা প্যারোডি ছিলো। নাথিং এলস! আর কাল তুমি আমার স্ল্যাং ইউজ করাতে আহত হয়েছিলে, যদিও তা বলনি, কিন্তু আমি খুব বুঝতে পেরেছিলাম। আজ তুমিই সেটা করছ? হোয়াটজ রং বাবা?”
তার কন্ঠে নিখাঁদ বিস্ময়।
“ওহ, তুমি তো কাঁপছো রীতিমত। স্যরি বাবা। প্যারোডি’টার নিম্নমান হয়তো তোমাকে আহত করেছে। নাও এক গ্লাস পানি খেয়ে নাও”
এক গ্লাস পানি আমার সত্যিই খুব দরকার ছিলো। আমি আসলেই কাঁপছি। গলা শুকিয়ে কাঠ!
“খেয়ে নাও বাবা, এরপর আমরা মুভি শো শুরু করব”
“আজকে বাদ দাও। আমার শরীর ভালো লাগছে না”
“ওকে বাবা। সি ইউ টুমরো। গুডনাইট!”
পরেরদিন কোনকিছুতেই আমার মন বসছিলো না। খুব অস্থির লাগছিলো।অফিসের মধ্যেই সন্তর্পণে বাথরুমে গিয়ে জলিকে ফোন করে চাপা গলায় বললাম,
“জলি, ও আরো বেশি কিছু জানে!”
“কে কী জানে!”
এই গাধী মহিলাকে কোনকিছু একবার বললে বুঝবে না। ইচ্ছা করছিলো চিৎকার করে গালাগাল করি। কিন্তুনিজেকে শান্ত রাখলাম প্রাণপন প্রচেষ্টায়।
“ববি। ববি ওর মায়ের মৃত্যুর ব্যাপারটা জানে”
“ও মা! তা কেন জানবে না? ছাদ থেকে পড়ে মারা গিয়েছিলো। এটাতো সবাই জানে।”
“আমাদের প্ল্যান…”
“চুপপপপ! গাধার মত কথা বল না। প্ল্যান অনুযায়ী কিছু হয় নি। যা হবার এমনিতেই হয়েছে। এখন সবকিছুভজঘট করে দিও না!”
আমি ফোন রেখে দিলাম। জলির কন্ঠের শীতলতা আমাকে জমিয়ে দিচ্ছে। আমার মনে হচ্ছে এই অফিস,টেলিফোন, রাস্তাঘাট সবই হরর উপাদান! নাহ আর কোন হরর ছবি না। আজকে মুভিস্টোরে যাব না। কোন হরর ছবি কিনবো না। আর ববি মাতবরিকরতে গেলে দেবো এক চড়।
“আনো নি আজকে?”
“না”
“হাহা! তা অবশ্য এনে কী করবে! জীবনটাই তো একটা হরর সিনেমা তাই না?”
“শাট আপ!”
“স্যরি বাবা, আমি ফিলোসফি চোদায় ফেলছি। উপস! এই দেখো আবারও স্ল্যাং ইউজ করলাম। আজকেও কী তোমার শরীর খারাপ করছে? ঘুমিয়ে যাবে? গল্প করবে না? কালকের ফিল্মগুলো কিন্তু দেখা বাকি এখনও!”
আমি আর নিতে পারছিলাম না ওর তীর্যক বাক্যবান। সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে শুয়ে পড়লাম। শরীর একদম ছেড়ে দিয়েছে।
“বেশি হাঁসফাঁস লাগছে বাবা? জানালা খুলে দিই? উফ একদম বাতাসনেই। চল ছাদে যাই। যাবা?”
“এত রাতে ছাদে যায় কেউ?”
“কেন তুমি ভয় পাচ্ছো?”
“ভয় পাবো কেন!” ইটজ জাস্ট নট দ্যা প্রপার টাইম!”
“তা অবশ্য ঠিক বলেছো বাবা। ছাদ তো আর পালিয়ে যাচ্ছে না। একদিন গেলেই হল। হরর মুভিও পালিয়ে যাচ্ছে না। একদিন দেখলেই হল। সবকিছু কী সহজ, তাই না? নাকি আমরা সহজ বলে ভুল করি? যেমনটা তুমি করেছিলে। তুমি তো তেমনটাই ভেবেছিলে বাবা, তাই না?”
“আমি কিচ্ছু করিনাই, কিচ্ছু না। বিলিভ মি!”
“উপস! তুমি কিছু করেছিলে এমনটা কেন ভাবছো বলতো? আর বিশ্বাস অবিশ্বাসের প্রসঙ্গই বা কেন আসবে? যাও বাবা, শুয়ে পড়।”
আমি ওর কাঁধে ভর করে বিছানায় যাই।
“ঘুমোনোর আগে কিছু পড়বে বাবা? সামথিং রিলাক্সিং…একটু অপেক্ষাকর”
সে আমাকে একটা পুরোনো ট্যাবলয়েডএনে দিলো। যেগুলোর শিরোনামে বড় বড় করে খুন খারাপির কথা লেখা থাকে। আমি অনিচ্ছাস্বত্ত্বেও শিরোনামে চোখ বুলোতে গিয়ে দেখলাম লাল রঙের হরফে লেখা-
“ঢাকার সবুজবাগে পুত্রের হাতে নৃশংসভাবে পিতা নিহত”
আমি ঝট করে ববি’র দিকে তাকালাম।
“গুডনাইট, বাবা!”
ও চলে গেলো।
আমার মাথায় ঘুরতে লাগলো সবুজবাগ, ঢাকা, খুন। এলাকাটা মিলে গেছে। বাবা-ছেলে একসাথে থাকতো এটাও মিলে গেছে। এমন কী বয়সেও অদ্ভুৎ সাদৃশ্য। ববি আমাকে কেন এটা দিলো? কী বাজে ভাবছি! স্রেফ কাকতালীয় ব্যাপার।যেমনটা ছিলো আমার আর জলির পরিকল্পনার সাথে ববির মা’র দুর্ঘটনাটা মিলে যাওয়া। এটাও কীমিলে যাবে! টেলিফোনটা ভাইব্রেট করছে, জলির ফোন। ও কেন যেন কোন কারণ ছাড়াই ফোন করে হিহিহিহিহি করে হাসছে। ও কী বুঝতে পেরেছে? আমার দুর্দশা দেখে হাসছে? দরজায়কড়া নাড়ছে কে? ববি? কী চায়? কী চায় সে!
কিছুক্ষণ পর ধাতস্থ হয়ে বুঝতে পারি আমার নার্ভাস ব্রেকডাউন ঘটেছিলো। জলির ফোন আসে নি। ববিও দরজা ধাক্কায় নি। চারিদিকে সব ভয়ের উপাদান। সব হরর এলিমেন্ট ঘিরে ধরেছে আমাকে। আমি জানি এখন থেকে ববির আর হরর মুভি দেখে রাত পার করতে হবে না। রিয়্যাল লাইফ হরর এর মজা পেয়ে গেছে ও…
পরেরদিন সকালে বের হবার সময় আমাকে সে বলল,
“এখন থেকে আমরা হরর মুভির বদলে ক্রাইম ড্রামা দেখবো, ওকে বাবা?”
আমার নাম ইমা। বয়স ২৫ এর একটু বেশী। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি থেকে বের হয়ে একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী তে মোটামুটি স্যালারীর জব করছি। বাবা-মা এর সাথে থাকি আর স্বামী বা সন্তান এর কোন ঝামেলা নেই, তাই আমার স্যালারীর অনেকাংশে ব্যাঙ্কে শাখা-প্রশাখা গজাচ্ছে।
DesiBees-র খবর পেলাম এক অনলাইন বন্ধুর কাছে, যার সাথে মাঝে মাঝে হুটহাট কথা-চ্যাট হয়। দুরত্বের কারনেই হয়তো তার সাথে সম্পর্ক টা খুব কম সময়েই ন্যাস্টি পর্যায়ে চলে গিয়েছে। সে আমাকে তার লেখা চটি পরতে দিয়েছিলো। আমি বেশ মজা করেই পড়েছিলাম। বেশ ভালোই লিখে ছেলেটি। ওহ, তার নিক হলো Gorib_Manush
আমি আমার জীবনের কিছু গল্প তার সাথে শেয়ার করেছিলাম। আমি লেখালেখি করি শুনে বললো আমার জীবনের গল্প নিয়ে গল্প লিখে ফেলা উচিত। তাই একি সাথে ভয় আর এক্সাইটমেন্ট নিয়ে লিখতে বসে গেলাম নিজের কাহানি।
যাকে নিয়ে এই গল্প তার বয়স ছিলো ৫০ এর ঘরে। আর তখন আমার বয়স ছিলো ১৭… সবে মাত্র কলেজে উঠেছি। তিনি আমার বড় চাচা। আমি বাবা-মার সাথে থাকি। এক মাত্র সন্তান হওয়ায় হয়তো আমার ব্যাপারে বাবা-মা খুব বেশী কনজারভেটিভ ছিলেন। সবাই যখন প্রেমের হাওয়ায় ভেলা ভাসিয়ে অনেক কিছু দেখে/শুনে/বুজে/করে ফেলেছে, আমি তখন টিভি তে সিরিয়াল দেখে আর নির্দিষ্ট কিছু বান্ধবীর সাথে কথা বলেই সময় পার করছিলাম। আমার বড় চাচা হলে আর্মির রিটায়ার্ড মেজর। উনি থাকতেন যশোর। চাচি অনেক আগেই মারা গিয়েছিলেন, কিন্তু বড় চাচা এর পর আর বিয়ে করেননি। আমাকে খুব আদর করতেন ছোট বেলা থেকেই। আমাকে দেখার জন্যই উনি মাঝে মাঝে আমাদের বাসায় এসে এক সপ্তাহ দুই সপ্তাহ বেড়িয়ে যেতেন। আর যখনই আসতেন তখনই আমার জন্য দু হাত ভর্তি গিফট নিয়ে আসতেন – কখনো জামা কাপড়, কখনো আমার পছন্দের খাবার।
ঘটনা বলা শুরু করি তাহলে। একটু পিছিয়ে যাই। আমার যখন ১৬ বছর, সামনে ইন্টারমিডিয়েট পরিক্ষা – তখন থেকে শুরু করি।
পরীক্ষার ঠিক আগে দিয়ে আমার মধ্যে একটা নার্ভাসনেস কাজ করছিলো। এসএসসি তে আমি এ প্লাস পেয়েছি, এইচএসসিতেও পেতে হবে, বাবা মা এরকমই প্রত্যাশা করছিলো আমার কাছে। আমার প্রিপারেশান ভালো ছিলো, তবুও ঠিক কনফিডেন্স পাচ্ছিলাম না। তাই শুরু করলাম রাত জেগে পড়াশোনা।
একদিন এরকমই এক রাতের কথা, ফিজিক্স পার্ট টু পড়ছিলাম। আমার টেবিল ল্যামপ জ্বলছিলো রুমে, আর সব অন্ধকার। বাইরেও অন্ধকার। হঠাৎ পাশের বাসায় লাইট জ্বলে উঠলো। আমার রুমের জানালার দিকেই ঐ বারান্দাটা মুখ করা। খুব গা ঘেষাঘেষি বিল্ডিং। বারান্দার পরেই বেডরুমের জানালা এবং পর্দা উঠানো। সেদিন অনেক গরম পড়েছিলো, তাই আমিও জানালার পর্দা উঠিয়ে রেখেছিলাম। ভালো করে তাকাতেই দেখি জানালা দিয়ে খুব আবছা ভাবে দেখা যাচ্ছে একটা মেয়ের ধবধবে সাদা পিঠ। চুলগুলো উঁচু করে বাঁধা তাই পিঠ অনেকটাই উন্মুক্ত! একটু পর একটা ছেলে এসে তার সামনে দাঁড়ালো… মেয়েটা কিছুটা ঝুকে গেলো, আর ছেলেটার চেহারা সাথে সাথে বদলে গেলো। যেন এক দারুন সুখের সন্ধান সে পেলো।
আমি টেবিল ল্যাম্পটা নিভিয়ে দিয়ে জানালার পর্দা ফেলে খুব সাবধানে একটু ফাঁকা করে দেখতে লাগলাম ওদের কান্ড। ছেলেটা হঠাৎ মেয়েটার মাথা সরিয়ে দিলো ওর কোমরের কাছ থেকে, আর তখনই আমি দেখলাম ইয়া বিশাল একটা নুনু!!! আমার ছোট খালার ছয় বছরের ছেলে রুপকের নুনু আমি অনেকবার দেখেছি, ধরেছি, কিন্তু ওরটা এরকম না। এতো বড়ও না, এতো মোটাও না। সবচেয়ে বড় কথা রুপকের নুনু এইভাবে সটান দাঁড়িয়ে থাকে না। মনে হচ্ছিলো যেন একটা মোটা লাঠি! এই এতো বড় যন্ত্রটা কিভাবে ছেলেরা প্যান্টের ভেতর নিয়ে ঘোরে কে জানে!
আমার মাথা কেমন যেন ঝিমঝিম করতে লাগলো, যখন দেখলাম ঐ অতো বড় মেশিনের মতো নুনুটা মেয়েটা তার মুখের ভেতর কি সুন্দরভাবে ঢুকিয়ে নিলো! আর তখনই লোডশেডিং… আর অন্ধকার হয়ে গেলো সবকিছু
সেই ঘটনা আমার জীবনে বেশ বড়সর ধাক্কা দিলো। আমি আগে কখনো এসব নিয়ে মাথা ঘামাতাম না, কিন্তু সেই ঘটনার পর মাথার মধ্যে শুধু সে রাতের দেখা ছবিটা ঘুরছিলো। কিছুতেই নামাতে পারছিলাম না। আমার আশে পাশের পুরুষদের ভিন্ন চোখে দেখা শুরু করলাম। যার দিকে তাকাই, মনে হয় ওর টা কি অতো বড়ো! ওটা মুখে নিলে কেমন লাগে! এমনকি পরীক্ষার হলে বসেও এসব কথা মাথায় ঘুরতো।
যাইহোক, পরীক্ষা শেষ হলে সেই বাসায় বসে থাকা। বসে বসে যখন চরম বোর হচ্ছিলাম তখন বেড়াতে গেলাম মামার বাসায়। অনেকদিন পর মামার বাসায় গিয়ে মনে হলো আমি মুক্তি স্বাধীন। মামাতো বোন স্বচরিতার সাথে দেখা হল অনেক বছর বাদে। দুজনের মনে পড়ে গেলো ছোটবেলার সেই দুষ্টুমির কথা। রিতার বিয়ে হয়েছে এক বছর হল কিন্তু এখনো সেই দুষ্টুমি তার মাঝে চরম পরিমানে বিদ্যমান। রাতে আমরা এক সাথে গুমোতে গেলাম।
এটা সেটা কথার পর আমাদের কথার মোড় ঘুড়ে গেলো সেক্স এর দিকে। আমি এই ব্যাপারেই যেমন অজ্ঞ, রিতা তেমনি বিজ্ঞ। রিতা তার ভয়ঙ্কর ভয়ঙ্কর গল্প (অন্তত সেই রাতে আমার কাছে তাই মনে হয়েছিলো) ঝোলা থেকে বের করছিলো আর আমার কানে ফিসিফিস করছিলো। আমি দম বন্ধ করে কাঠ হয়ে পড়েছিলাম।
রিতা – বিয়ে হইছে এক বছর, কিন্তু সোয়ামী রে পাইলাম না বেশীদিন। লোকটা চাকরী নিয়া বিয়ার দুই মাস পরেই মিডল ইস্ট চইলা গেলো। ক, কেমন কষ্ট হয় আমার!
আমি – কিসের কষ্ট! (অবশ্যই বোকার মতো প্রশ্ন)
রিতা – এই মাগী, বুঝস না কিসের কষ্ট! আরে, মাত্র দুইমাসের চোদায় কি কিছু হয়? সবেমাত্র শিখা শুরু করছিলাম। প্রথম এক মাস তো এদিক অদিক বেড়াইতে বেড়াইতে আর রাতের বেলা ভয়ে ভয়ে করতে করতেই গেলোগা। সে চইলা যাওয়ার পর প্রথম এক মাস খুব কষ্টে কাটছে।
আমি – কেমনে করতিরে?
রিতা – কি কস! তুই কোনদিন ব্লু-ফিল্ম দেখস নাই? কেমনে করে মাগী জানস না?
আমি – নারে, আমি এসব নিয়ে কারও সাথে কথাও বলিনি কখনো। কখনো কিছু দেখিনি। তবে এক রাতে একটা জিনিস দেখেছিলাম।
তারপর আমি রিতাকে সেই রাতের কথা বললাম। রিতা আমার কথা শুনে কিছুক্ষন হাসলো মুখ চাপা দিয়ে। তারপর আমাকে তার প্রথম রাতের কথা বললো – কিভাবে কি করেছে।
-”উমমমমম,… অউমমম আহ্হঃ, হাহা, এই বয়সে এমন সুন্দরী কচি বউ
পাওয়া তো চাট্টিখানি কথা না!প্চ্মহ… হমমমমমম “
-”উঃ! উমমম আমি আপনার কচি বউ নাকি? উহ্ম্ম্ম্হ …আহ্!”
-”তাহলে তুমি কি বল তো সোনামণি? উমমমমম?প্চ্ম্ … ঔম্!”
-”আহ্হঃ ইশশশ … জানিনা”
-” আমায় ওই নামে ডাকবেন না!”
-”কচি বউ! হাহা উমমমমম..”
-”ধ্যাত্!”
-”কি হলো?”
-”একটু আস্তে টিপুন না!”
-”উমমম, হাহা সুন্দরী তুমি তো জানই, আমার হাত কথা শোনে না!…
-কি করবো বলো!”
-”আউচ্ লাগছে!”
-”উমমম, আমার যে ভালো লাগছে!”
-”ইশশশ!… আহঃ!”
-”মমমম……..”
“সংযুক্তা?..”
-”উম?”
-”এই বয়স্ক লোকটাকে একটু আদর তো কর!”
-”করছি তো!”
-”কই?”
-”আঃ, উমমম..”
-”তোমার ওই সুন্দর কচি তরতাজা গোলাপী-গোলাপী ঠোঁট দুটো দিয়ে চুমু খাও না আমায়..উমমম “
-”উমঃ .. প্চ্ম্..”
-”ব্যাস ওইটুকু!”
_”আরো কত চাই!”
-”উমমম তোমরা এই আঠের বছর বয়সী মেয়েগুলি বড় অহংকারী! আমি জানি! আমার ছোট মেয়েটাও এরকম!”
-”ধ্যাত্, .. উফ্ আপনি না… প্চ্ম,…. উম্প্চ্ম .. হয়েছে?”
-”আরেকটা হামি, উম্মমম !”
-”প্ছ্হ্| নিন এবার ছাড়ুন! অঙ্ক করবো তো!”
-”হুমম উচ্চমাধ্যমিক সামনে না? ভুলেই গেছিলাম!”
-”উম্, হ্যাঁ| বুকটা ছাড়ুন! প্লিজ্!”
-”উম্… এত নরম-নরম ,.. তোমার এই টি শার্ট টার কাপড় বড় সুন্দর, কোথা থেকে কিনেছো?”
-”উফফ আমি ওইদুটো এবার কেটে ফেলবো!এদিকে দেখুন না!”
-”আচ্ছা বাবা হাত নামাচ্ছি! কই দেখি দাও!”
-”উম্|”
রত্নপুর উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্বনামধন্য প্রাক্তন teacher in charge রতিকান্ত বর্মন এই মুহূর্তে তাঁর বিশাল কক্ষে জানলার ধরে রোদে গা এলিয়ে বসে ছিলেন আরামকেদারায়| চা পর্ব শেষ হেছে বেশ কিছুক্ষণ হলো|
এখন খবরের কাগজটা সামান্য উল্টেপাল্টে দেখা| যদিও পড়ার মতো বিশেষ কিছুই পান না তিনি, দৈনিক খুনখারাপী এবং রাজনীতির ক্লেদাক্ত উপবেশনে তাঁর আগ্রহ অনুপস্থিত| শুধু হেডলাইন গুলিতে চোখ বলানো, আর স্টক মার্কেট-এর বিজ্ঞপ্তিতে চোখ রাখা| এই একটিমাত্র বিষয়ে, সরাসরি যুক্ত না হয়েও তাঁর অপার কৌতুহল| রত্নপুরে কেনা তাঁর এই বিশাল ফ্ল্যাটে লোকজন খুবই কম| পরিচারিকা, বাজার সরকার এবং নিচেরতলায় গ্যারাজে তাঁর বিশাল toyota গাড়ির রক্ষক এবং কিছু পেয়াদা| একাকিত্বের জীবন তাঁর অভ্যাস হয়ে গেছে অনেকদিন হলো| যদিও একাকিত্ব উপভোগে তিনি বিন্দুমাত্র উত্সাহী নন| ছাত্র-ছাত্রী পড়ানোয় তিনি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন অনেকদিন হলো| এবং এতেই তাঁর সময় বেশ ভালই কেটে যায়| এবং এই একই কারনে তাঁর জীবনের উষ্ণতা শীতের রৌদ্রের আমেজের উপর্যুপরি আরো বৃদ্ধি পায়|
‘ding dong’.. কলিং বেলের আওয়াজ শুনে হাসিমুখে খবরের কাগজ নামিয়ে রাখেন তিনি| নিচে দরজা খোলার আওয়াজ হয়, এবং তার কয়েক মুহূর্ত পরেই সংযুক্তা তাঁর বসার ঘরের দোরগোড়ায় এসে দাঁড়ায়| ওর হাতে বই জড়ো করে উদরের কাছে চেপে ধরা|
তাঁর দোরগোড়ায় আঠেরোর অপরূপ সুন্দরী মেয়েটিকে দেখে মুগ্ধ হন যেনো আবার নতুন করে রতিকান্ত| এই ঝলমলে সকালেও ঘরের মধ্যে যেন আলো বিকিরণ করছে ওর রূপ!
কাঁধে এলিয়ে পরা ঘন কালো চুল, টানা টানা দুটি মায়াবী চোখ, পানপাতার মতো গরনের টকটকে ফর্সা মুখমন্ডলে দুটি লাল টুকটুকে কমলার কোয়ার মতো ঠোঁট| ওর মুখমন্ডলে অন্যতম আকর্ষনীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছ ওর মাঝারি আকৃতির তীক্ষ্ণ নাকটি, ওর সারা মুখের ঢলঢলে লাবন্যে যার ইশত ঔদ্ধত্য অপূর্ব দ্যোতনার সৃষ্টি করেছে| মুখে একটি টিপে ধরা মিষ্টি হাসি নিয়ে ঘাড়টি একটু ঝুঁকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মেয়েটি| লাল টুকটুকে একটি পাতলা সালোয়ার কামিজ ওর পরনে| সামান্য কৃশ ছিপছিপে তনুটির সঠিক স্থানে অপূর্ব বাঁক ও উদ্ধত রেখার সুডৌল উপস্থিতি| সংযুক্তা বুকে ওড়না না দিয়ে গলায় ঝুলিয়ে রেখেছে এবং সপ্রসন্ন দৃষ্টিতে রতিকান্ত দেখেন মেয়েটির সুডৌল পাকা আমের মতো দুটি সমুন্নত উদ্ধত অষ্টাদশী স্তনের লাল কামিজ টানটান করে চোখা-চোখা ভাবে ফুলে থাকা সামনের দিকে, যেন তাঁরই দিকে মাথা তুলে আছে স-অহংহ্কারে! ওর সরু কোমরের সুন্দর ভাঁজটিও স্পষ্ট কামিজের অবয়বে| টকটকে লাল সালোয়ার কামিজটি ওর দুধে আলতা ত্বকের সাথে খুবি সুন্দর মানিয়েছে|
ছাত্রীকে দেখে মৃদু হেসে রতিকান্ত সোফায় এসে বসেন চেয়ার থেকে উঠে| হাসিমুখে সংযুক্তাও এসে ওঁর পাশটিতে বসে পা একসাথে জড়ো করে| বইগুলো পাশে নামিয়ে রাখে|
-”কেমন আছেন স্যার?” সুন্দরী অষ্টাদশী হাসিমুখে শুধায়|
-”ভালো, তুমি নিশ্চই ফাঁকি দিছো!”
-”ধ্যাত!”
-”হাহা, ধ্যাত বললে তোমায় খুব মিষ্টি লাগে!”
-”হ্যাঁ, শুধু আপনারই!”
-”হাহাহা, দুষ্টু হোমওয়ার্ক সব করেছ!?”
-”করেছি, তবে সব পারিনি!”
-”তবে শাস্তির জন্য প্রস্তুত হও!”
-”স্যার, সব কি পারা যায় নকি!”
-”তা জানিনা! কাজ না করলেই শাস্তি!”
-”উফ আপনি না..!” সংযুক্তা ঠোঁট টিপে মৃদু হেসে এবার একটু নরেচরে বসে| বুকটা টানটান করে রতিকান্তর পানে| ওর সুডৌল উদ্ধত স্তনদুটি প্রকট হয়ে খাড়াখাড়া ভাবে ফুলে ওঠে লাল কামিজ ঠেলে|
-”উম্ম..” রতিকান্ত টানটান দুটি লাল টিলার মাঝে প্রসন্ন মুখে তর্জনী রেখে আলতো চাপ দেন| তারপর তিনি উঠে ঘরের দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে এসে বার আগের মতো সংযুক্তার সামনে বসেন| ছাত্রীর বাড়িয়ে ধরা উদ্ধত বুকের উপর দু-থাবা ফেলেন্| দু হাতের সমস্ত তালু এবং সবকটি আঙ্গুল দিয়ে যেন আঁকড়ে ধরেন কামিজে টানটান নরম টিলাদুটি, খচ-খচ করে টিপতে থাকেন সে দুটি রিক্সার হর্নের মতো করে, স্তনজোড়ার সমস্ত নরম মাংস কচলে কচলে টেপেন, মনের সুখ করে| তাঁর দুটি হাতের থাবায় যে সুন্দর ভাবে ভরে উঠেছে সংযুক্তার সুগঠিত নবযৌবনের প্রানছ্বাসে ভরপুর জ্যান্ত উন্মুখ স্তনযুগল!.. পিষ্ট করে দলে মলে টিপছেন তিনি সেদুটি, আশ মিটিয়ে|
সংযুক্তা বাধ্য মেয়ের মতো চুপটি করে বসে স্যারের স্তনপীড়ন নিচ্ছে| মুখটা একপাশে একটু সরিয়ে রেখেছে সে| ব্যথা লাগলেও এই প্রাপ্য শাস্তি গ্রহনে তার আপাতভাবে আপত্তি নেই|
রতিকান্ত আরামে আহ্লাদে মৃদু হাসেন| এই চিত্রটি তাঁর ভাল্লাগে যে ছাত্রীর বুকের উপর নরম উদ্ধত মাংসপিন্ডদুটি তিনি দুহাতে ইচ্ছামতো টিপছেন এমং ও নিরবে হাত গুটিয়ে বুকটা একটু ঠেলে বিনা আপত্তিতে বসে আছে তাঁর সামনে বাধ্য মেয়ের মতো| ভীষণ আরাম হচ্ছে তাঁর সংযুক্তার স্তনজোড়া টিপতে, তাঁর দুটি থাবা যেন নরম মাংস-সমূহের উষ্ণ প্রাচুর্যে হাঁসফাঁস করছে, যত তিনি চটকাচ্ছেন| কামিজের নরম-নমনীয় কাপড়ে তাঁর অসুবিধা হচ্ছে না স্তনজোড়া টেপাটেপি করতে| বড় নরম ও প্রগল্ভ অষ্টাদশী বক্ষগ্রন্থীদুটি|
-”এই রূপসী, এদিকে তাকাও না!” সংযুক্তার স্তন দু-থাবায় টিপতে টিপতে এবার রতিকান্ত অদূরে গলায় বলে ওঠেন|
সংযুক্তা শাস্তি পাওয়া মেয়ের মতো ঠোঁটজোড়া সামান্য ফুলিয়ে তাকায় তাঁর দিকে|
-” রাগ করেছ?”
-”উম আর কতক্ষণ ধরে টিপবেন আমাকে?” আদুরে আঁচে বলে সংযুক্তা অভিমান মিশিয়ে|
-”যতক্ষন না আমার হাতদুটো ব্যথা হবে! হাহাহা..!”
-”বুঝলাম!” রাগত ভাবে চোখ নামে অষ্টাদশী ললনা|
-”হাহা…” আমুদে গলায় সুর ভাঁজেন রতিকান্ত সংযুক্তার স্তনদুটি মলতে মলতে –
“রাগ যে তোমার মিষ্টি!– রাগ যে তোমার মিষ্টি আরো অনুরাগের চেয়ে, সাধ করে তাই তোমায় রাগাই ওগো সোনার মেয়ে!”
-”ধ্যাত!”
-’উফ, তোমাকে শাস্তি দেবার না থাকলে এক্ষুনি তোমার ওই মিষ্টি ঠোঁট দুটো টিপে দিতাম!”
-”ইশশশ!”
-”ব্রা পরেছ?”
-”এ আবার কি প্রশ্ন! ইস!”
-”উম্ খুব নরম নরম লাগছে যে! একেবারে যেন দুটো তুলতুলে স্পঞ্জের বল!… হেহে!”
সংযুক্তা চোখ তুলে এবার কটমট করে তাকাবার চেষ্টা করে মুখ টিপে হেসে ফেলে!
-”আমি কি অসভ্য দেখো!” রতিকান্ত সংযুক্তার দুটি স্তনকে এবারে বাঁহাতের চওড়া থাবায় একসাথে পরস্পরের সাথে ঠেসে ধরে ডলতে ডলতে ডানহাত নীচে নামিয়ে এনে ওর দুই উরুর ফাঁকে গুঁজে দিয়ে সমস্ত করতল দিয়ে চেপে ধরেন পাজামার উপর দিয়ে ওর যোনিস্থল…
“উফ, নরম! টাটকা! আর কি গরম রে বাবা! হাতের চেটো পুড়িয়ে দিচ্ছে যেন!” তিনি ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলেন|
“আঃ, এই কি হচ্ছে! ইশশ…” সংযুক্তা এবার ঠোঁট কামড়িয়ে দেহ মুচড়ে ওঠে যখন তার শিক্ষক বাঁহাতে তার স্তন মলতে মলতে ডানহাতে এবার তার উত্তপ্ত অষ্টাদশী যোনি সালোয়ারের উপর দিয়ে কচলে কচলে চটকাতে আরম্ভ করেন…
তিনি এবার হাসতে হাসতে বলেন ” কোথায় তোমার মা ভাবছেন তাঁর সুন্দরী মেয়ে স্যারের কাছে মন দিয়ে পড়াশোনা করছে, তিনি কি ঘুনাক্ষরেও জানেন যে এই মুহুর্তে তাঁর মেয়েকে কিভাবে চটকাচটকি করতে করতে স্যার তাকে ব্রা-এর কথা শুধাচ্ছেন!”
-’ইশশশ, সত্যি আপনি না! … মুখ বন্ধ করুন!” সংযুক্তা ছদ্ম রাগে মুখ ঝাম্টিয়ে ওঠে|
-”আচ্ছা ঠিকাছে! রাজকন্যা যা বলেন!” হেসে রতিকান্ত চুপ করেন!
কিন্তু তাঁর হাতদুটো থেমে নেই| ঘড়ির কাঁটার টিক টিক শব্দ হয়ে চলেছে, তিনি এক মনে সংযুক্তার কামিজ ঠেলে দুটি টিলার মতো ফুলে ওঠা উদ্ধত স্তনদুটি টিপে টিপে হাতের সুখ করছেন, যোনিদেশ চটকে মলে সে অংশটি আরো আগুন-উত্তপ্ত করে তুলছেন| কেউই কোনো কথা বলছে না| সংযুক্তা বিনা প্রতিবাদে পীড়ন নিচ্ছে| অপেক্ষা করছে নিষ্ঠা সহকারে কখন স্যার তাঁর অষ্টাদশী নরম সুগঠিত ডালিম-জোড়া চটকে চটকে ও নরম তুলতুলে টাটকা, উত্তপ্ত যোনি ডলে ডলে সম্পূর্ণ তৃপ্তি লাভ করবেন, কখন তার শাস্তি শেষ হবে| সে আর স্থির হয়ে সোফায় বসে থাকতে পারছে না, উত্তাপে অস্থির ময়ূরীর মতো কাতরে কাতরে উঠছে শরীর এঁকেবেঁকে শিক্ষকের পীড়নরত দুহাতের দাপটে, তার শরীরের এই দুটি অংশ দলনে পেষণে এখন যেন জ্বলন্ত অঙ্গারসম!….
-”উমমহহ .. নাও তোমার শাস্তি মকুব!” ঘড়ির কাঁটায় আরো দশ মিনিট পর সংযুক্তার স্তনে ও যোনিতে সম্মিলিত চাপ দেওয়া বন্ধ করেন রতিকান্ত| ওকে আদর করে জরিয়ে ধরে কপালে চুমু খান “এবারে কটা হামি দাও!”
-”উম্ম্মাঃ..” সংযুক্তা মিস্ষ্টি হেসে তার নরম ঠোঁটজোড়া দিয়ে রতিকান্তের গালে চক করে চুমু খায়|
-”উহু এখানে..” রতিকান্ত নিজের ঠোঁট দেখান|
-”উম্প্চ..” সংযুক্তা তাঁর লাল টুকটুকে পেলব ঠোঁটদুটি তাঁর ভারী কর্কশ ঠোঁটে চেপে চুমু উপহার দেয়|
-”হমম!” খুশি হন রতিকান্ত অষ্টাদশী নরম জীবন্ত ঠোঁটের স্পর্শে, চুমুটা উপভোগ করে তিনি হেসে এবার সংযুক্তার বই তুলে নেন| বই খুলে কয়েকটা অঙ্ক দেখিয়ে বলেন “এগুলো করো! সবকটা! কোনো ফাঁকি নয়!”
-”চেষ্টা করব|” মেয়েটি বই হাতে নিয়ে খাতা খোলে|
রতিকান্ত ওঠেন, তারপর টেবলের ড্রয়ার থেকে একটি হালকা গোলাপী স্কার্ফ বের করে এনে সংযুক্তার কাছে আসেন| তারপর স্কার্ফটা দু ভাঁজ করে পট্টি করে ওর ঠোঁটের উপর দিয়ে জরিয়ে ঘারের পেছনে সেটির দুই প্রান্ত এনে উপর্যুপরি গিঁট দিয়ে বেশ শক্ত করে সংযুক্তার মুখ বাঁধেন|
-”উন্গ্ম্ম!.. উমমম!” বাধা না দিলেও সংযুক্তা মৌখিক প্রতিবাদ জানায় তাঁর দিকে রাগত চোখে তাকিয়ে| মুখের বাঁধন-এ তার ঠোঁট দুটি অস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, নরম গাল দুটিতে স্কার্ফের কাপর চেপে বসেছে|
-”উমম এখন শুধু অঙ্ক| কোনো সেলফোনে কথা নয়! মুখের বাঁধন খুললেই কিন্তু আমি বুঝে যাবো এসে! কি লক্ষ্মী মেয়ে হয়ে থাকবে তো?” তিনি মুখবাঁধা সংযুক্তার চিবুক আলতো করে তুলে ধরেন|
-”অম্প্ম্ম|” সংযুক্তা চোখ নামায়, মাথা নারে উপর নিচে|
“উমম” হেসে ওকে জরিয়ে ধরে ওর নাকে গালে কয়েকটা লালসমাখা চুমু খান রতিকান্ত| স্তনে চাপ দেন| -”আমার কচি বউ!”
-”উমমমম!” মুখের বাঁধনে গর্জে ওঠে সংযুক্তা, চোখ পাকায়|
-”হাহাহাহা!” অট্টহাস্য করে উঠে পরেন রতিকান্ত, দরজা বন্ধ করে চলে যান বাইরে|
সংযুক্তা মন দিয়ে স্যারের দেওয়া অঙ্ক করছিলো একা সোফায় বসে বসে| তবে আধ-ঘন্টা পর-ই সে একঘেয়েমিতে উঠে পড়ে| মোবাইল থেকে কয়েকজন কে sms করে কিছুক্ষণ| তারপর উঠে কিছুক্ষণ বিশাল ঘরটায় ঘুরে বেড়াতে থাকে| জানলার কাছটায় এসে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে বাইরে, তারপর আবার ফিরে এসে ঘরের অন্যপ্রান্তে যায়, সেখানে বড় আয়নাতে নিজেকে চোখে পরতেই সে চমকে ওঠে| মুখের বাঁধনের কথাটা সে ভুলেই গেছিলো, নিজেকে মুখবাঁধা অবস্থায় দেখে অস্বস্তি হয় তার| চোখ সরিয়ে নিয়ে সে ফিরে আসে সোফায়| কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে সে আবার অঙ্কে হাত দেয়|
রতিকান্ত ফিরে আসেন ঠিক এক ঘন্টা পনেরো মিনিট পর| এসে তিনি দরজা ভেজিয়ে সোফায় সংযুক্তার পাশে বসে ওকে ঘনিষ্ঠ করে জড়িয়ে ধরেন নিজের কোলে তুলে| অষ্টাদশী তরতাজা মেয়েটিকে নিজের শরীরের সাথে চেপে উষ্ণতায় ওর নাকে, গালে, কপালে, চিবুকে প্রভৃতি অংশে চুমু খেতে থাকেন গভীর আবেশে| “উমমমহ্হ্হঃ ,.. উমহমম …”
সংযুক্তা বিশেষ প্রতিবাদ করে না| স্যারের কোলে বসে ওঁর বাহুবন্ধনের ঘনিষ্ঠতায় আদর খায়… মুখ বাঁধা বলে কথা বলতে বা বিশেষ শব্দ না করতে পেরে মাঝে মাঝে শুধু অল্প ‘উম-উম’ করতে থাকে নরমভাবে|
রতিকান্তের চুমুর চপ-চপ শব্দ এবং আবিষ্ট আদূরে আওয়াজে ঘর ভরে উঠছিলো| নরম উত্তপ্ত তরুণী জীবন্ত দেহটি পেয়ে তিনি যেন আর কিছু চান না| নিজের ঠোঁটের নিচে কোমল সুগন্ধি ত্বকের স্পর্শ, বুকের কাছটায় সুডৌল স্তনের নরম চাপ ও উষ্ণতা, ঘাড়ে-গালে উত্তপ্ত মোলায়েম নিঃশাসের আদূরে ছোঁওয়া, সব মিলিয়ে তিনি বড়ই উপভোগ করছেন সকালের আমেজটি|
পাক্কা সুদীর্ঘ কুড়ি মিনিট ধরে সংযুক্তাকে এভাবে ভোগ করার পর ওকে কোলে বসিয়ে রেখেই ওর চিবুক তুলে ধরে তিনি শুধান :
-”কি লো সুন্দরী, সব অঙ্ক হয়েছে?”
-”উম্মম|..মম|” সংযুক্তা ছোট্ট করে বলে তার সীমাবদ্ধ বাকস্বাধীনতা নিয়ে|
-”কই দাও, দেখি”
-”হ্প্ম,.. উম্মম|” সংযুক্তা খাতা এগিয়ে দেয় রতিকান্তকে| ঘাড়ে এসে পরা কিছু চুলের গোছা সরিয়ে|
রতিকান্ত মন দিয়ে অঙ্কগুলি দেখতে থাকেন| কিছু পরে একটি অঙ্কর দিকে তাকিয়ে তিনি বলে ওঠেন:
-”লিমিট দাও নি কেন? কেটে জিরো!”
-”উম্মম্মম্মম! …উহ্ম্ম্ম! প্পম! মমম!” সংযুক্তা ভ্রু কুঁচকে শরীর ঝাঁকিয়ে প্রতিবাদ করে ওঠে অনেককিছু বলতে চেয়ে, কিন্তু মুখ শক্ত করে বাঁধা বলে বিশেষ কিছুই বোঝাতে পারে না গুঙিয়ে ওঠা ছাড়া| ওর সামনে রতিকান্ত কেটে শুন্য বসালে করুন শব্দ করে মাথা নামায় ও| শুধু প্রতিবাদে মুখের বাঁধনের উপর ওর তীক্ষ্ণ নাকের পাটা সামান্য ফুলে ফুলে ওঠে|
-”হমম..” রতিকান্ত দেখতে দেখতে এবার এক জায়গায় এসে হঠাতই অপ্রসন্ন হয়ে সংযুক্তাকে কাছে টেনে ওর কামিজে স্ফীত হয়ে থাকা নরম বক্ষদেশ পেন শুদ্ধ ডানহাতের থাবায় মুঠো পাকিয়ে তুলে বলেন -”উফ, মেয়ে তোকে আর কত integration শেখাবো! বল?”
-“মুম্ম্ম?” সংযুক্তা জিজ্ঞাসু চোখে চায়|
রতিকান্ত হতাশায় মাথা নেড়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন| তারপর সংযুক্তার বুকের উপর লাল কামিজে দুটি পরিপক্ক আমের আকারে উঁচু হয়ে ফুলে থাকা বক্ষপিন্ডের ডান দিকেরটি ডান থাবায় ধরে নরম বক্ষমাংস চটকাতে চটকাতে বাম হাতে খাতা এনে দেখান “এটা কি করেছে আমার প্রিয়তমা ছাত্রী? উম?”
-”উমমম, হুহুম্ম!..” সংযুক্তা খাতার দিকে তাকিয় আবার কিছু বলার বিফল চেষ্টা করে মুখের বাঁধনে|
-”উম্ম..” এদিকে সংযুক্তার উন্নত স্তনটি চটকানোর আরামে আর থাকতে না পেরে উত্তেজিত হয়ে রতিকান্ত এবার ছাত্রীর ফুলে থাকা দুটি স্তনই দু থাবায় কামিজ-সহ মুঠো পাকিয়ে তুলে সজোরে পীড়ন করেন সমস্ত নরম মাংস কচলে কচলে চটকে,.. “আহঃ.”
-”ম্ন্গ্ন্ম্ম্ম!!” সংযুক্তা মুখের বাঁধনে তীব্র প্রতিবাদ করে, অবাধ্য মেয়ের মতো শরীর মুচরে ওঠে রতিকান্তের কোলে| স্যারের দু মুঠোর মধ্যে নিজের আকর্ষনীয় স্তনদুটি কামিজসহ নানাভাবে আকারে বিকৃত হতে দেখতে আর সে পারছেনা| নির্মম ভাবে রিক্সার হর্নের মতো তার সুগঠিত স্তনজোড়া মুঠোয় টিপে টিপে তিনি দফারফা করছেন!টিপে ধরার সময় লাল কামিজসহ তার স্তনদুটি ওঁর মুঠোর মধ্যে দিয়ে ডিম্বাকারে ফুলে উঠছে বারবার| “উন্হ্ম্ম্ম্ম্ম!” সে অসন্তোষ প্রকাশ করে দুবাহু ঝাঁকিয়ে|
-”আহ্হঃ… উম্মম!” দুটি থাবায় অষ্টাদশী নরম, প্রগল্ভ, ছটফটে স্তনদুটি চটকে টিপে কিছুতেই যেনো আর আশ মিটছে না রতিকান্তের| অল্পবয়সী সুন্দরী মেয়ের উদ্ধত স্তন নিয়ে খেলা করা যে তাঁর কি প্রিয়,.. তবুও শিক্ষকসুলভ দায়িত্বে তিনি মেয়েটির নরম বক্ষ থেকে দু হাত তুলে এবার ওর মুখের বাঁধন খুলে দেন|
-”স্যার, সত্যি বলছি ওদুটো আমি এবার বাড়িতে রেখে পড়তে আসবো!” সংযুক্তা বাক্যাধিকার ফিরে পেয়েই বলে ওঠে|
-”উম্ম” ওকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ভাবে জরিয়ে ধরে রতিকান্ত বলেন “integration পারো না কেন এত শেখানোর পরও দুষ্টু রূপসী? উম্ম?”
-” জানিনা|” সংযুক্তা ঠোঁট ফুলিয়ে স্যারের বাহুবন্ধনে আদুরে রাগ নিয়ে বলে ওঠে|
-’উম্প্চ” রতিকান্ত থাকতে না পেরে আঠেরো বছর বয়সী মেয়েটির ঠোঁট পিষ্ট করে করে চুমু খান|
-”আহ,” মেয়েটি ওঁর চুম্বনের তীব্রতায় কঁকিয়ে ওঠে|
-”উমমমম, উহ্ম্ন্ন্ন..” পরমা সুন্দরী অষ্টাদশী মেয়েটির নরম উত্তপ্ত তনুটির ঘনিষ্ঠ আরামে ওর মুখ-বুক-নরম তুলতুলে ফর্সা স্তনের সুগন্ধে উত্তেজিত হয়ে আর থাকতে না পেরে রতিকান্ত এবার ওর ঠোঁটে, চিবুকে, নাকে, গালে, গলায় চুমু খেতে খেতে ওর জীবন্ত নরম দেহটি নিবিড় বাহুবন্ধনে নিজের সাথে চেপে ডলাডলি করে ওকে ভোগ করতে থাকেন তিনি|
“উমমম..” সংযুক্তা এবার বাধ্য মেয়ের মতো বিনা বাধায় স্যারকে তাকে উপভোগ করতে দেয় চুপটি করে|
-”উমমম..” কিছুক্ষণ এমনভাবে মেয়েটির নরম শরীরের উত্তাপ্ ডলাডলি করে গাযে মেখে মেখে ওকে চপ চপ করে চুমু খেতে খেতে তিনি উষ্ণতায় আদরজরানো গলায় বলে ওঠেন “সংযুক্তা, বিছানায় চলো না, তোমাকে একটু ভালো করে আদর করি!”
-”ইশশশ, কি শখ!”
-”প্লিজজজ!!”
-”উমমম” সংযুক্তা নিমরাজি মতো হয়ে ঘাড় নাড়ে|
-”উম ঠিকাছে, ” খুশি হয়ে রতিকান্ত বলে ওঠেন “তুমি লক্ষ্মী মেয়ের মতো ঘরে গিয়ে শোও, আমি আসছি কয়েকটা কাজ সেরে”
ঘরে ঢুকে দৃশ্যটি দেখে যারপরনাই প্রসন্ন হন রতিকান্ত| তাঁর বিশাল গদিমোরা বিছানায় চিত্ হয়ে দেহ এলিয়ে শুয়ে আছে সংযুক্তা| কামিজের ওরনাটি ওর গলা থেকে লুটাছে বিছানায়| একরাশ কালো চুল ছড়িয়ে আছে, মাথার চারপাশে| ওর বুকের দিকে তাকাতেই হৃদয় চলকে ওঠে রতিকান্তের| চিত্ হয়ে শোওয়ার ফলে ওর লাল কামিজ ফুঁড়ে উদ্ধত পরিপক্ক স্তনজোড়া অত্যন্ত আকর্ষনীয় ভাবে খাড়া-খাড়া হয়ে যেন সিলিং-এর দিকে তাক করে আছে! স্তনযুগলের স্পর্ধা সহ্য করতে না পেরে রতিকান্ত দ্রুত বিছানায় উঠে অপরুপা অষ্টাদশী’র পাশে আধশোয়া হয়ে দু-থাবায় চেপে ধরেন ওর স্ফীত বক্ষদুটি আবার| দ্রুতগতিতে শক্ত হাতে সেদুটিকে দুটি লেবুর মতো কচলে কচলে ডলতে থাকেন কামিজসহ| সংযুক্তার বুকের জ্যান্ত দুটি প্রগলভ বক্ষ গ্রন্থির নরম মাংস আবার কচলিয়ে মাখতে মাখতে তাঁর দুহাতের ক্ষুধার্ত তালুদ্বয় হাঁসফাঁস করে, মেয়েটির নরম বক্ষদুটি তিনি যেনো টিপে টিপে সেদুটির সমস্ত নরম-পুষ্ট নির্যাস নিষ্কাশন করে নেবেন আজ, এমন তাঁর প্রতিজ্ঞা!
-”আঃ..” কঠিন স্তনপীড়নে অস্ফুটে কঁকিয়ে উঠে রতিকান্তের বিছানায় শায়িতা তরুনীটি দেহ মোচড়ায়| বোঝা যাচ্ছে কোনো বাধা না দিলেও, নিজের আকর্ষনীয় স্তন সুন্দরীদের এমন হেনস্থায় সে খুব একটা খুশি নয়|
-”উম্ম রূপসী পরি আমার!” সংযুক্তার স্তনদুটি খচ খচ করে চটকাতে চটকাতে রতিকান্ত মুখ নামিয়ে এনে ওর ফোলা নরম ওষ্ঠাধরে চক করে চুমু খান, দ্বিতীয়বার চুমু খেতে গেলেই মেয়েটি মুখ সরিয়ে নেয়|
-”কি হলো সুন্দরী? আবার বুক টিপছি বলে রাগ?”
-”ধ্যাত, না!” সংযুক্তা উত্তপ্ত স্বরে বলে| তারপর আপাতভাবে স্যার তার স্তনদুটি কর্কশভাবে চটকানোয় সে কিছুই মনে করছেনা এমন মুখভঙ্গি করে সে ওঁর দিকে মুখ ফিরিয়ে আদূরে ভাবে ঠোঁট ফুলিয়ে ডানহাতটি একটু তুলে তাঁর পাঞ্জাবির তা নিয়ে নারাচারা করে, -”উমমম আমার এখানে ভালো লাগছেনা স্যার!”
-”সেকি!” ছাত্রীর স্পঞ্জের মতো নরম স্তনটিলাদুটি শক্ত হাতে চটকে চটকে শায়েস্তা করতে করতে উদ্বিগ্ন চোখে তাকান রতিকান্ত ওর মুখপানে -”মাকে ফোন করে সেকথা বলেছ?”
-”উম্ম বলেছি” সংযুক্ত স্যারের দুথাবার তলায় বুকটা একটু ঠেলে শরীর মোচরায় তাঁর শক্ত পীড়ন সইয়ে নিতে -”মা শুনছেনা, বলছে মানিয়ে নিতে!”
-”উম্ম অসুবিধা কিকি হচ্ছে সোনামনি?”
-”নোংরা মেস, খাবার ভালো না! আমার থাকতে ভালো লাগে না! মেসের মেয়েগুলোও অত্যন্ত জঘন্য! কথাও বলা যায়না ওদের সাথে!” সংযুক্তা ঠোঁট ফোলায়|
-”উম্ম আহাগো রূপসী আমার,..” সংযুক্তার নরম স্তনদুটি তালু দিয়ে চেপে ধরে রেখে তিনি দুহাতের আঙ্গুলগুলি প্রসারিত করে ওর চিবুক ছোঁন “আমি অবশ্যই ব্যবস্থা করবো!”
-”কি ব্যবস্থা?”
-’উম্ম সব বলছি, তার আগে তোমাকে ভালো করে চটকাই আদর করি?
উম্ম?” বলে রতিকান্ত তাঁর নিচে শায়িতা পরমা সুন্দরী তনয়ার উদ্ধত ফুটন্ত স্তনদুটি দু থাবায় আরো বেশ কয়েকবার ভালো করে চটকে নিয়ে সেদুটি ছেরে দুহাতে অষ্টাদশী সংযুক্তার লাল টুকটুকে সালোয়ার কামিজে মোড়া দেহটি নিবিড় ভাবে জরিয়ে ধরেন ওর শরীরের উপর উঠে এসে| নিজের ভারী শরীর দিয়ে ওর নরম্ উত্তপ্ত তনুটি ডলতে ডলতে ওকে চুমু খেতে খেতে আদুরে স্বরে বলেন “তুমিও আদর করো না সুন্দরী বুড়ো মানুষটাকে, উম?”
-”করছি তো!” উত্তপ্ত স্বরে বলে সংযুক্তা পিতার বয়সী মানুষটির স্থুল শরীরটি নিজের নরম দুই বহুলতা দিয়ে জরিয়ে ধরে| প্রতিচুম্বন করে| চুমা ও আদরের শব্দে ঘর ভরে ওঠে|
-”উমমম..” আরামে আবেশে ভাসেন রতিকান্ত, অপরুপা মেয়েটির নরম উত্তপ্ত তরুণী শরীরটি নিজের তলায় নরম বিছানার সাথে ডলতে ডলতে ওর বাহু-আলিঙ্গনে ওর নরম সুগন্ধি ঠোঁট দুটির চুমুর স্পর্শ গালে ঠোঁটে চিবুকে নিতে নিতে সম্পূর্ণ মজে ওঠেন তিনি| এবার আরাম পেয়ে তিনি ওর দেহের উপর নিজের নিম্নাঙ্গ ঘষতে শুরু করেন, পাজামার মধ্যে আবদ্ধ নিজের লৌহ-শক্ত পুং-দন্ডটি ডলাডলি করতে থাকেন ওর নরম-গরম থাই, উদর, জংঘা প্রভৃতি অংশে|
-”উমমম, ইশশশ!” সংযুক্ত ওঁর নিচে চুমু খেতে খেতে গুঙিয়ে ওঠে ওঁর পুরুষাঙ্গের কঠিন দলনের স্পর্শে, “স্যার লাগছে, আপনার ‘ওটা’ ভীষণ শক্ত তো!” সে আদুরে উত্তপ্ত স্বরে বলে ওঠে|
-”উম্ম,.. হু হু…” রতিকান্ত সংযুক্তার নরম দেহটি নিজের শক্ত পুরুষাঙ্গ বিঁধিয়ে গেঁথে ধরেন বিছানার সাথে| ‘উমমম, সুন্দরী, খুব ভালো লাগছে আমার তোমার নরম কচি ছটফটে এই শরীরটায় ওটা রগড়াতে, উমমম, মনে হচ্ছে নরম-গরম স্পঞ্জের মধ্যে দাবাচ্ছি ওটাকে, উম্ম.. কতদিন এমন তাজা কচি শরীর রগড়াইনি তলায় ফেলে… উম্ম” তিনি ভারী ভারী চুম্বন করতে থাকেন ওর গালে, ঠোঁটে|
-”আঃ.. ইশশ, আমার পেটটা ফুটো করে দেবেন নাকি?’ কঁকিয়ে ওঠে সংযুক্তা| আদর করে রতিকান্তের টাকে হাত বুলিয়ে ওঁর গালে নরম চুম্বন দেয় “প্চুম”
-”উম্ম..” আহ্লাদে নিজের কঠিন জাগ্রত পুরুষাঙ্গটি পাজামার ভেতর থেকে সংযুক্তার তুলতুলে নরম ও উত্তপ্ত জংঘায় চেপে ধরেন রতিকান্ত| কঠিন চাপ দিয়ে তা ডলতে থাকেন সেখানে| সংযুক্তাকে বিছানায় পেষণ করে করে|..” উম্ম আমি তোমাকে ভালোবাসি দুষ্টু মেয়ে, আদর করো আমাকে, উমমমম!!”
-”করছি তো! উমমম, ” আদুরে স্বরে গুঙিয়ে উঠে সংযুক্তা রতিকান্তের গলায় বাহুবন্ধন আরো দৃঢ় করে ওনাকে ঘনভাবে চুমু খেতে থাকে “উম্ম্প্চ, মমম,.. প্প্চ্চ”
-’আঃ, কি আরাম, আঃ সংযুক্তা আজকে করবো তোমায়, ..” তিনি উত্তেজিত হাতে সংযুক্তার সালোয়ার-এর দড়ি খোলেন, সাথে নিজের পাজামার দড়িও|
-”ইসসস স্যার পরশুই তো করলেন.. আঃ” সংযুক্তা কঁকিয়ে ওঠে যখন কোনো দ্বিধা ছারাই রতিকান্ত তাঁর শক্ত উন্মুক্ত পুং-দন্ডটি ওর সদ্য-উন্মুক্ত নরম ফুলেল যোনির উত্তপ্ত অভ্যন্তরে আমুল ঢুকিয়ে দেন, তার যোনির পেশীসমূহ রতিকান্তের কঠিন আক্রমনকারী দন্ডটিকে শক্তভাবে চেপে ধরে|
-”আঃ, ” আরামে আবেশে রতিকান্তও কঁকিয়ে ওঠেন .. “আহ, রূপসী, কিভাবে কামড়ে ধরে তোমার দুষ্টুটা আমার ওটাকে! ইশশ!”
-”উহ্ম্ম,..” সংযুক্তা রতিকান্তের নিচে তার লাল ঠোঁট কামড়িয়ে ওঠে|
-”উম্ম্ম্ম্ম্ম..’ দেহের নিচে শায়িতা অষ্টাদশী পরমা সুন্দরীর উত্তপ্ত, নরম-আঁটো যোনির মধ্যে নিজের পুরুষাঙ্গ আমুল বেঁধানো অবস্থায় মুখ নিচু করে চুমু খান, দুহাতে ওর হালকা নরম দেহটি আরো নিবিড়ভাবে জরিয়ে ধরেন “রাগ করলে নাকি সুন্দরী?”
-”ভীষণ!” সংযুক্তা গুমরিয়ে ওঠে ঠোঁট ফুলিয়ে|
-’উমমমম..” রতিকান্ত চার পাঁচটা চুমু খান ওঁর ফোলানো ঠোঁটে পরপর, অনুভব করেন তাঁর বুকের তলায় স্পঞ্জের মতো নরম ওর দুটি প্রগল্ভা স্তনের পিষ্ট হয়ে ডলা খাওয়া| অনুভব করেন ওর সংক্ষিপ্ত যোনির গভীর অভ্যন্তরস্থ উত্তাপে তাঁর তাগড়াই পুরুষাঙ্গের দপদপ স্পন্দন- “উম্ম কেন, বার্থ পিল নাওনি?”
-”উম্প্চ.. তো?” সংযুক্তা নরম করে ওঁর ঠোঁটে চুমু আঁকে ” এবার কি করবেন আমায়?”
-”উমমম ” রতিকান্ত হেসে আরামে উত্তাপে সংযুক্তার নরম সুগন্ধি ঠোঁটে ঠোঁট ঘষতে ঘষতে বলেন “এবার আমি তোমায় জ্যান্ত খেয়ে নেব যে রূপসী পরি আমার … উম্ম্ম্ছঃ” তিনি এবার কোমর চালিয়ে ওর যোনির মধ্যে লিঙ্গ সঞ্চালন শুরু করে দৃঢ় ভাবে মন্থন করতে থাকেন ওকে|
-’উআআঃ ” কঁকিয়ে ওঠে সংযুক্তা রতিকান্তের নিচে পিষ্ট হতে হতে|-”উমমম, হুহুম্ম!..” সংযুক্তা খাতার দিকে তাকিয় আবার কিছু বলার বিফল চেষ্টা করে মুখের বাঁধনে|
-”উম্ম..” এদিকে সংযুক্তার উন্নত স্তনটি চটকানোর আরামে আর থাকতে না পেরে উত্তেজিত হয়ে রতিকান্ত এবার ছাত্রীর ফুলে থাকা দুটি স্তনই দু থাবায় কামিজ-সহ মুঠো পাকিয়ে তুলে সজোরে পীড়ন করেন সমস্ত নরম মাংস কচলে কচলে চটকে,.. “আহঃ.”
-”ম্ন্গ্ন্ম্ম্ম!!” সংযুক্তা মুখের বাঁধনে তীব্র প্রতিবাদ করে, অবাধ্য মেয়ের মতো শরীর মুচরে ওঠে রতিকান্তের কোলে| স্যারের দু মুঠোর মধ্যে নিজের আকর্ষনীয় স্তনদুটি কামিজসহ নানাভাবে আকারে বিকৃত হতে দেখতে আর সে পারছেনা| নির্মম ভাবে রিক্সার হর্নের মতো তার সুগঠিত স্তনজোড়া মুঠোয় টিপে টিপে তিনি দফারফা করছেন!টিপে ধরার সময় লাল কামিজসহ তার স্তনদুটি ওঁর মুঠোর মধ্যে দিয়ে ডিম্বাকারে ফুলে উঠছে বারবার| “উন্হ্ম্ম্ম্ম্ম!” সে অসন্তোষ প্রকাশ করে দুবাহু ঝাঁকিয়ে|
-”আহ্হঃ… উম্মম!” দুটি থাবায় অষ্টাদশী নরম, প্রগল্ভ, ছটফটে স্তনদুটি চটকে টিপে কিছুতেই যেনো আর আশ মিটছে না রতিকান্তের| অল্পবয়সী সুন্দরী মেয়ের উদ্ধত স্তন নিয়ে খেলা করা যে তাঁর কি প্রিয়,.. তবুও শিক্ষকসুলভ দায়িত্বে তিনি মেয়েটির নরম বক্ষ থেকে দু হাত তুলে এবার ওর মুখের বাঁধন খুলে দেন|
-”স্যার, সত্যি বলছি ওদুটো আমি এবার বাড়িতে রেখে পড়তে আসবো!” সংযুক্তা বাক্যাধিকার ফিরে পেয়েই বলে ওঠে|
-”উম্ম” ওকে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ভাবে জরিয়ে ধরে রতিকান্ত বলেন “integration পারো না কেন এত শেখানোর পরও দুষ্টু রূপসী? উম্ম?”
-” জানিনা|” সংযুক্তা ঠোঁট ফুলিয়ে স্যারের বাহুবন্ধনে আদুরে রাগ নিয়ে বলে ওঠে|
-’উম্প্চ” রতিকান্ত থাকতে না পেরে আঠেরো বছর বয়সী মেয়েটির ঠোঁট পিষ্ট করে করে চুমু খান|
-”আহ,” মেয়েটি ওঁর চুম্বনের তীব্রতায় কঁকিয়ে ওঠে|
-”উমমমম, উহ্ম্ন্ন্ন..” পরমা সুন্দরী অষ্টাদশী মেয়েটির নরম উত্তপ্ত তনুটির ঘনিষ্ঠ আরামে ওর মুখ-বুক-নরম তুলতুলে ফর্সা স্তনের সুগন্ধে উত্তেজিত হয়ে আর থাকতে না পেরে রতিকান্ত এবার ওর ঠোঁটে, চিবুকে, নাকে, গালে, গলায় চুমু খেতে খেতে ওর জীবন্ত নরম দেহটি নিবিড় বাহুবন্ধনে নিজের সাথে চেপে ডলাডলি করে ওকে ভোগ করতে থাকেন তিনি|
“উমমম..” সংযুক্তা এবার বাধ্য মেয়ের মতো বিনা বাধায় স্যারকে তাকে উপভোগ করতে দেয় চুপটি করে|
-”উমমম..” কিছুক্ষণ এমনভাবে মেয়েটির নরম শরীরের উত্তাপ্ ডলাডলি করে গাযে মেখে মেখে ওকে চপ চপ করে চুমু খেতে খেতে তিনি উষ্ণতায় আদরজরানো গলায় বলে ওঠেন “সংযুক্তা, বিছানায় চলো না, তোমাকে একটু ভালো করে আদর করি!”
-”ইশশশ, কি শখ!”
-”প্লিজজজ!!”
-”উমমম” সংযুক্তা নিমরাজি মতো হয়ে ঘাড় নাড়ে|
-”উম ঠিকাছে, ” খুশি হয়ে রতিকান্ত বলে ওঠেন “তুমি লক্ষ্মী মেয়ের মতো ঘরে গিয়ে শোও, আমি আসছি কয়েকটা কাজ সেরে”
ঘরে ঢুকে দৃশ্যটি দেখে যারপরনাই প্রসন্ন হন রতিকান্ত| তাঁর বিশাল গদিমোরা বিছানায় চিত্ হয়ে দেহ এলিয়ে শুয়ে আছে সংযুক্তা| কামিজের ওরনাটি ওর গলা থেকে লুটাছে বিছানায়| একরাশ কালো চুল ছড়িয়ে আছে, মাথার চারপাশে| ওর বুকের দিকে তাকাতেই হৃদয় চলকে ওঠে রতিকান্তের| চিত্ হয়ে শোওয়ার ফলে ওর লাল কামিজ ফুঁড়ে উদ্ধত পরিপক্ক স্তনজোড়া অত্যন্ত আকর্ষনীয় ভাবে খাড়া-খাড়া হয়ে যেন সিলিং-এর দিকে তাক করে আছে! স্তনযুগলের স্পর্ধা সহ্য করতে না পেরে রতিকান্ত দ্রুত বিছানায় উঠে অপরুপা অষ্টাদশী’র পাশে আধশোয়া হয়ে দু-থাবায় চেপে ধরেন ওর স্ফীত বক্ষদুটি আবার| দ্রুতগতিতে শক্ত হাতে সেদুটিকে দুটি লেবুর মতো কচলে কচলে ডলতে থাকেন কামিজসহ| সংযুক্তার বুকের জ্যান্ত দুটি প্রগলভ বক্ষ গ্রন্থির নরম মাংস আবার কচলিয়ে মাখতে মাখতে তাঁর দুহাতের ক্ষুধার্ত তালুদ্বয় হাঁসফাঁস করে, মেয়েটির নরম বক্ষদুটি তিনি যেনো টিপে টিপে সেদুটির সমস্ত নরম-পুষ্ট নির্যাস নিষ্কাশন করে নেবেন আজ, এমন তাঁর প্রতিজ্ঞা!
-”আঃ..” কঠিন স্তনপীড়নে অস্ফুটে কঁকিয়ে উঠে রতিকান্তের বিছানায় শায়িতা তরুনীটি দেহ মোচড়ায়| বোঝা যাচ্ছে কোনো বাধা না দিলেও, নিজের আকর্ষনীয় স্তন সুন্দরীদের এমন হেনস্থায় সে খুব একটা খুশি নয়|
-”উম্ম রূপসী পরি আমার!” সংযুক্তার স্তনদুটি খচ খচ করে চটকাতে চটকাতে রতিকান্ত মুখ নামিয়ে এনে ওর ফোলা নরম ওষ্ঠাধরে চক করে চুমু খান, দ্বিতীয়বার চুমু খেতে গেলেই মেয়েটি মুখ সরিয়ে নেয়|
-”কি হলো সুন্দরী? আবার বুক টিপছি বলে রাগ?”
-”ধ্যাত, না!” সংযুক্তা উত্তপ্ত স্বরে বলে| তারপর আপাতভাবে স্যার তার স্তনদুটি কর্কশভাবে চটকানোয় সে কিছুই মনে করছেনা এমন মুখভঙ্গি করে সে ওঁর দিকে মুখ ফিরিয়ে আদূরে ভাবে ঠোঁট ফুলিয়ে ডানহাতটি একটু তুলে তাঁর পাঞ্জাবির তা নিয়ে নারাচারা করে, -”উমমম আমার এখানে ভালো লাগছেনা স্যার!”
-”সেকি!” ছাত্রীর স্পঞ্জের মতো নরম স্তনটিলাদুটি শক্ত হাতে চটকে চটকে শায়েস্তা করতে করতে উদ্বিগ্ন চোখে তাকান রতিকান্ত ওর মুখপানে -”মাকে ফোন করে সেকথা বলেছ?”
-”উম্ম বলেছি” সংযুক্ত স্যারের দুথাবার তলায় বুকটা একটু ঠেলে শরীর মোচরায় তাঁর শক্ত পীড়ন সইয়ে নিতে -”মা শুনছেনা, বলছে মানিয়ে নিতে!”
-”উম্ম অসুবিধা কিকি হচ্ছে সোনামনি?”
-”নোংরা মেস, খাবার ভালো না! আমার থাকতে ভালো লাগে না! মেসের মেয়েগুলোও অত্যন্ত জঘন্য! কথাও বলা যায়না ওদের সাথে!” সংযুক্তা ঠোঁট ফোলায়|
-”উম্ম আহাগো রূপসী আমার,..” সংযুক্তার নরম স্তনদুটি তালু দিয়ে চেপে ধরে রেখে তিনি দুহাতের আঙ্গুলগুলি প্রসারিত করে ওর চিবুক ছোঁন “আমি অবশ্যই ব্যবস্থা করবো!”
-”কি ব্যবস্থা?”
-’উম্ম সব বলছি, তার আগে তোমাকে ভালো করে চটকাই আদর করি?
উম্ম?” বলে রতিকান্ত তাঁর নিচে শায়িতা পরমা সুন্দরী তনয়ার উদ্ধত ফুটন্ত স্তনদুটি দু থাবায় আরো বেশ কয়েকবার ভালো করে চটকে নিয়ে সেদুটি ছেরে দুহাতে অষ্টাদশী সংযুক্তার লাল টুকটুকে সালোয়ার কামিজে মোড়া দেহটি নিবিড় ভাবে জরিয়ে ধরেন ওর শরীরের উপর উঠে এসে| নিজের ভারী শরীর দিয়ে ওর নরম্ উত্তপ্ত তনুটি ডলতে ডলতে ওকে চুমু খেতে খেতে আদুরে স্বরে বলেন “তুমিও আদর করো না সুন্দরী বুড়ো মানুষটাকে, উম?”
-”করছি তো!” উত্তপ্ত স্বরে বলে সংযুক্তা পিতার বয়সী মানুষটির স্থুল শরীরটি নিজের নরম দুই বহুলতা দিয়ে জরিয়ে ধরে| প্রতিচুম্বন করে| চুমা ও আদরের শব্দে ঘর ভরে ওঠে|
-”উমমম..” আরামে আবেশে ভাসেন রতিকান্ত, অপরুপা মেয়েটির নরম উত্তপ্ত তরুণী শরীরটি নিজের তলায় নরম বিছানার সাথে ডলতে ডলতে ওর বাহু-আলিঙ্গনে ওর নরম সুগন্ধি ঠোঁট দুটির চুমুর স্পর্শ গালে ঠোঁটে চিবুকে নিতে নিতে সম্পূর্ণ মজে ওঠেন তিনি| এবার আরাম পেয়ে তিনি ওর দেহের উপর নিজের নিম্নাঙ্গ ঘষতে শুরু করেন, পাজামার মধ্যে আবদ্ধ নিজের লৌহ-শক্ত পুং-দন্ডটি ডলাডলি করতে থাকেন ওর নরম-গরম থাই, উদর, জংঘা প্রভৃতি অংশে|
-”উমমম, ইশশশ!” সংযুক্ত ওঁর নিচে চুমু খেতে খেতে গুঙিয়ে ওঠে ওঁর পুরুষাঙ্গের কঠিন দলনের স্পর্শে, “স্যার লাগছে, আপনার ‘ওটা’ ভীষণ শক্ত তো!” সে আদুরে উত্তপ্ত স্বরে বলে ওঠে|
-”উম্ম,.. হু হু…” রতিকান্ত সংযুক্তার নরম দেহটি নিজের শক্ত পুরুষাঙ্গ বিঁধিয়ে গেঁথে ধরেন বিছানার সাথে| ‘উমমম, সুন্দরী, খুব ভালো লাগছে আমার তোমার নরম কচি ছটফটে এই শরীরটায় ওটা রগড়াতে, উমমম, মনে হচ্ছে নরম-গরম স্পঞ্জের মধ্যে দাবাচ্ছি ওটাকে, উম্ম.. কতদিন এমন তাজা কচি শরীর রগড়াইনি তলায় ফেলে… উম্ম” তিনি ভারী ভারী চুম্বন করতে থাকেন ওর গালে, ঠোঁটে|
-”আঃ.. ইশশ, আমার পেটটা ফুটো করে দেবেন নাকি?’ কঁকিয়ে ওঠে সংযুক্তা| আদর করে রতিকান্তের টাকে হাত বুলিয়ে ওঁর গালে নরম চুম্বন দেয় “প্চুম”
-”উম্ম..” আহ্লাদে নিজের কঠিন জাগ্রত পুরুষাঙ্গটি পাজামার ভেতর থেকে সংযুক্তার তুলতুলে নরম ও উত্তপ্ত জংঘায় চেপে ধরেন রতিকান্ত| কঠিন চাপ দিয়ে তা ডলতে থাকেন সেখানে| সংযুক্তাকে বিছানায় পেষণ করে করে|..” উম্ম আমি তোমাকে ভালোবাসি দুষ্টু মেয়ে, আদর করো আমাকে, উমমমম!!”
-”করছি তো! উমমম, ” আদুরে স্বরে গুঙিয়ে উঠে সংযুক্তা রতিকান্তের গলায় বাহুবন্ধন আরো দৃঢ় করে ওনাকে ঘনভাবে চুমু খেতে থাকে “উম্ম্প্চ, মমম,.. প্প্চ্চ”
-’আঃ, কি আরাম, আঃ সংযুক্তা আজকে করবো তোমায়, ..” তিনি উত্তেজিত হাতে সংযুক্তার সালোয়ার-এর দড়ি খোলেন, সাথে নিজের পাজামার দড়িও|
-”ইসসস স্যার পরশুই তো করলেন.. আঃ” সংযুক্তা কঁকিয়ে ওঠে যখন কোনো দ্বিধা ছারাই রতিকান্ত তাঁর শক্ত উন্মুক্ত পুং-দন্ডটি ওর সদ্য-উন্মুক্ত নরম ফুলেল যোনির উত্তপ্ত অভ্যন্তরে আমুল ঢুকিয়ে দেন, তার যোনির পেশীসমূহ রতিকান্তের কঠিন আক্রমনকারী দন্ডটিকে শক্তভাবে চেপে ধরে|
-”আঃ, ” আরামে আবেশে রতিকান্তও কঁকিয়ে ওঠেন .. “আহ, রূপসী, কিভাবে কামড়ে ধরে তোমার দুষ্টুটা আমার ওটাকে! ইশশ!”
-”উহ্ম্ম,..” সংযুক্তা রতিকান্তের নিচে তার লাল ঠোঁট কামড়িয়ে ওঠে|
-”উম্ম্ম্ম্ম্ম..’ দেহের নিচে শায়িতা অষ্টাদশী পরমা সুন্দরীর উত্তপ্ত, নরম-আঁটো যোনির মধ্যে নিজের পুরুষাঙ্গ আমুল বেঁধানো অবস্থায় মুখ নিচু করে চুমু খান, দুহাতে ওর হালকা নরম দেহটি আরো নিবিড়ভাবে জরিয়ে ধরেন “রাগ করলে নাকি সুন্দরী?”
-”ভীষণ!” সংযুক্তা গুমরিয়ে ওঠে ঠোঁট ফুলিয়ে|
-’উমমমম..” রতিকান্ত চার পাঁচটা চুমু খান ওঁর ফোলানো ঠোঁটে পরপর, অনুভব করেন তাঁর বুকের তলায় স্পঞ্জের মতো নরম ওর দুটি প্রগল্ভা স্তনের পিষ্ট হয়ে ডলা খাওয়া| অনুভব করেন ওর সংক্ষিপ্ত যোনির গভীর অভ্যন্তরস্থ উত্তাপে তাঁর তাগড়াই পুরুষাঙ্গের দপদপ স্পন্দন- “উম্ম কেন, বার্থ পিল নাওনি?”
-”উম্প্চ.. তো?” সংযুক্তা নরম করে ওঁর ঠোঁটে চুমু আঁকে ” এবার কি করবেন আমায়?”
-”উমমম ” রতিকান্ত হেসে আরামে উত্তাপে সংযুক্তার নরম সুগন্ধি ঠোঁটে ঠোঁট ঘষতে ঘষতে বলেন “এবার আমি তোমায় জ্যান্ত খেয়ে নেব যে রূপসী পরি আমার … উম্ম্ম্ছঃ” তিনি এবার কোমর চালিয়ে ওর যোনির মধ্যে লিঙ্গ সঞ্চালন শুরু করে দৃঢ় ভাবে মন্থন করতে থাকেন ওকে|
-’উআআঃ ” কঁকিয়ে ওঠে সংযুক্তা রতিকান্তের নিচে পিষ্ট হতে হতে|
ঘষা কাঁচের জানলা দিয়ে সকালের নরম রৌদ্রে ভরপুর ঘর| বিছানায় মৃদু ক্যাঁচ-ক্যাঁচ শব্দ হচ্ছে| সংযুক্তার অষ্টাদশী তনুটিকে আরাম করে, আয়েশ করে মনের মতো করে মন্থন করছেন রতিকান্ত| ওর লাল কামিজে অভিমানী-ভাবে ঠাটিয়ে ফুলে আছে দুটি সমুন্নত স্তন, তিনি মাঝে মাঝেই ডান হাত উঠিয়ে সেদুটি একটি করে থাবা মেরে কঠিন নিষ্পেষণে চটকে দিচ্ছেন, কখনো বা ওর গালে, চিবুকে হাত বুলিয়ে আদর করছেন, ওর কপাল থেকে চুল সরিয়ে আদর করছেন| সংযুক্তাকে মন্থনের বেগ তাঁর নিয়ন্ত্রিত| মন্থন করতে করতে কামনার বেগ বেশি চলে আসলেই তিনি বেগ কমিয়ে দিয়ে অত্যন্ত ধীর প্রশমিত গতিতে মন্থন করছেন মেয়েটিকে| তারপর আস্তে আস্তে গতি বাড়াছেন, তারপর আবার কমাচ্ছেন এবং বাড়াচ্ছেন নিজের ইচ্ছামতো| ওর অষ্টাদশী সংক্ষিপ্ত যোনির শ্বাস্ রুধ্ধকর নরম পশম আরামে লিঙ্গ ঠেসে ঠেসে| উপভোগ করে করে|
সংযুক্তাও বুঝে গেছে যে রতিকান্ত এই মন্থনসুখ থেকে সহজে বিরত হবার পরিকল্পনা করছেন না| এখন দীর্ঘ সময় ধরে তাকে উপভোগ করবেন তিনি| সে এতক্ষণে মানিয়ে নিয়েছে পরিস্থিতিটি| তার সালোয়ার আবৃত দুই পা জরিয়ে রেখেছে র্রতিকান্তের স্থুল কোমর, তার অষ্টাদশী যোনির মাংসপেশীসমূহ নিষ্কাশন করছে প্রবিষ্ট শক্ত পুরুষাঙ্গটিকে| আদুরে মেয়ের মত রতিকান্তের দেহের তলায় সে তাঁর মন্থন নিতে নিতে দুই বাহু দুদিকে ছড়িয়ে রেখেছে| মাঝে মাঝে ঠোঁট বাড়িয়ে চুমু দিচ্ছে, চুমু নিচ্ছে| কখনো-সখনো ওঁর টাকে, মাথায়-গলায় হাত বুলিয়ে আদর করে ওঁর যৌনমিলনের সুখ বৃদ্ধি করছে|
-”উম্ম্ম্হ সংযুক্তা তুমি কি অসম্ভব সুন্দরী! কি আকর্ষনীয় তোমার শরীর, আমার মতো বুড়ো মানুষের নিচে এমন ঠাপ নিতে তোমার ভালো লাগছে উম্ম? রতিকান্ত মন্থন করতে করতে আবিষ্ট ভাবে বলে সংযুক্তার ঠোঁটে চপ করে চুমু খান|
-”ইশশশ স্যার, মুখের ভাষা ঠিক করুন! ছিঃ!” সংযুক্তা ওঁর মৈথুনের তালে তালে অল্প দুলে দুলে উঠতে উঠতে বলে উষ্মা সহকারে|
-” হাহাহা, কেন সুন্দরী, এত বাধা কেন?” রতিকান্ত আরামে হেসে বলেন|
-”ইশশশ আপনি না শিক্ষক! আপনার মুখে এমন ভাষা মানে না!” সংযুক্ত ঠোঁট টিপে হেসে বলে|
রতিকান্ত শরীরের নিচে নিবিড়ভাবে মন্থিত হতে থাকা অপরুপা অল্পবয়সী মেয়েটির রসিকতায় আহ্লাদিত হয়ে হাসেন, “তাই ন্নাকি রূপসী? প্চ্ম্ম..”
তিনি চুমু খান ওর গালে, ” ঠিক আছে, আমি যদি বাংলা শিক্ষক হতাম ভাষার বাহাদুরি দেখিয়েই দিতাম!”
-”হিহি দেখতাম তখন, উমমম” সংযুক্তা তার সুন্দর দন্তপঙ্গক্তি মেলে অপরূপ হেসে তলা থেকে তার যোনির মধ্যে আঁটা রতিকান্তের শক্ত লিঙ্গ সহ শরীরে মোচড় দিয়ে ওঠে প্রগলভ দুষ্টামিতে|
-“আঃ, দুষ্টু উমমম..” রতিকান্ত ওর এমন কাজে উত্তেজিত হয়ে ওকে বিছানায় ডলে ডলে মন্থন করতে থাকেন… রতিক্রিয়ার বেগ আটকে রাখা দায় হচ্ছে তাঁর পক্ষে এমন ছটফটে সুন্দরী মেয়ের সাথে…
-’আঃ স্যার” গুঙিয়ে ওঠে সংযুক্তা ওঁর নিচে|
-”উমমম … ” কামনার বেগ তীব্রতর হতে হতে হুড়মুড়িয়ে চলে আসতে থাকে রতিকান্তের,.. তিনি শেষ অবধি সংযুক্তার যোনির গভীরতম ভেতরে লিঙ্গ ঠেসে ধরে দাঁতে দাঁত চেপে বেগ সংবরণ করেন|…”আহ্ছ্হ্ঘ্ঘ্ঘ …!!!”
-’উহ্ম্ম্ম ..” সংযুক্তা ওঁর নিচে পিষ্ট অবস্থায় অনুভব করে তার যোনির গহিনে ঠাসা লিঙ্গের দপদপ স্পন্দনের তিব্রতা|
“উন্হ্ম্ম , দুষ্টু মেয়ে! আমার থেকে তারাতারি ছাড়া পাবার ধান্দা?” রতিকান্ত সংযুক্তার তলার লালা টুকটুকে ঠোঁটটি কামড়ে ধরেন আলতো করে|
-”হিহিহিহি…’ সংযুক্তা উত্তপ্ত হেসে ওঠে ওঁর তলায়, রতিকান্ত সারা শরীরে তার অনুরণন বোধ করে| ওর ঠোঁট ছেরে আবার দাঁতে দাঁত চাপেন তিনি, ওর বিন্দুমাত্র নরাচরাতেই যেন বীর্য ছিটকে বেরিয়ে আসতে চাইছে তাঁর প্রবিষ্ট উত্তেজনায় টনটন করতে থাকা দন্ডটি থেকে| নিথর থাকতে চেষ্টা করেন যিনি ওকে নিচে চেপে রেখে..
-”আঃ” গুঙিয়ে ওঠে সংযুক্তা রতিকান্তের শরীরের পিষ্ট করা চাপে, ওর সংক্ষিপ্ত যোনি অত্যন্ত শক্তভাবে চেপে ধরেছে তাঁর স্খলন-উন্মুখ পুরুষাঙ্গটিকে| দম বন্ধ করে রেখে নিজের প্রবীন স্থূল মুখের তলায় ঝাপসা চোখে দেখেন তিনি সুন্দরী অষ্টাদশীর লাল কামিজ, লাল টুকটুকে কোয়ার মতো দুটো ঠোঁট,.. আগুন নিশ্বাস ফেলেন তিনি যৌনসুখের জ্বরে| ওর যোনির কামড়ে খাবি খেতে থাকা লিঙ্গ নিয়ে তিনি এবার উত্তপ্ত জ্বর-নিঃশ্বাস ফেলে ওর উষ্ণ, নরম, সুগন্ধি গণ্ডদেশে ঠোঁট-নাক দাবান|-”উম্ম্ম্হঃ”
-”আহঃ” সংযুক্তা ওঁর নিচে পিষ্ট অবস্থায় শ্বাস ছাড়ে| তার নাসারন্ধ্র ইশত স্ফীত হয় ক্লিষ্ট শ্বাসে| নিজের উপর রতিকান্তের বিশাল যৌনসুখে কাঁপতে থাকা অসহায় দেহটি সে এবার দুবাহু দিয়ে বেষ্টন করে আদর করে ওঁর ঠোঁটে, নাকে গালে নিজের নরম ঠোঁটজোড়া দিয়ে চুম্বন করতে থাকে| ওঁকে আরাম দিতে থাকে|
এভাবে অনেক্ষণ সময় কেটে যায়| কামনার বেগ প্রশমিত করে ধাতস্থ হন রতিকান্ত| ধীরে ধীরে আবার মন্থন শুরু করেন, খাটে ক্যাঁচ-ক্যাঁচ শব্দ শুরু হয় আবার|
-:উমমমম!” পুনরায় রতিকান্তের মন্থন নিতে নিতে ঠোঁট ফুলিয়ে অদূরে অভিমানী ভঙ্গি করে সংযুক্তা “উফ, স্যার আপনি কি আমায় করেই যাবেন, করেই যাবেন?”
-“উম্ম্ম্হ” অষ্টাদশী মেয়েটিকে মন্থন করতে করতে যৌনসুখে গুঙিয়ে উঠে রতিকান্ত বলেন “উম সুন্দরী, আমার সাত-বংশ রত্নপুরের জমিদার, সুন্দরী কচি মেয়ে কি আমরা কখনো সহজে ছাড়ি! হাহাহা!! উমমমম!” তিনি বলতে বলতে সংযুক্তার নরম ঠোঁট, গাল প্রভৃতি নিজের ঠোঁট দিয়ে পিষ্ট করে করে চপ চপ শব্দে চুমু খান অনেক কটি| চুমু খেতে খেতে তিনি আবেশে তিনি ওর নরম মসৃন গালে ঠোঁট ডলে ঘসরাতে ঘসরাতে ঘর্ঘর শব্দ করতে থাকেন|
-”উন্ম্মঃ!” গুঙিয়ে ওঠে সংযুক্তা ওঁর ভোগ প্রাবল্যে| কিন্তু আদূরে মেয়ের মতো ওঁর টাকে হাত বুলিয়ে সুরসুরি কেটে আরাম দেয়|
-”হমমম” মন্থন করতে থাকা অষ্টাদশীর কমলার কোয়ার মতো লাল টুকটুকে ঠোঁট দুটি মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করেন রতিকান্ত এবার| মন্থনের তালে তালে ওর রসালো ঠোঁট জোড়ায় কামড়ও দিতে থাকেন বারবার, জিভ ঢুকিয়ে দেন, এবং মুখের ভেতরে ধ্বনিত ওর গোঙানিগুলি উপভোগ করতে থাকেন| কিছুক্ষণ সংযুক্তার ঠোঁটদুটো চেটেপুটে খেয়ে তিনি ওর সুগন্ধি গালে কামড় বসান ওর নরম, আগুন-উত্তপ্ত সংক্ষিপ্ত অস্টাদশী যোনির অভ্যন্তরে তাঁর কঠিন, উত্তেজিত পুরুষাঙ্গ আরো নিবিড়ভাবে ঠাসতে ঠাসতে| সংযুক্তা নিজের সদ্য উন্মুক্ত ওঁর লালে টসটসে ভেজা ঠোঁটদুটো অল্প ফাঁক করে গুঙিয়ে ওঠে “আঘঃ!” বিছানার ক্যাঁচ-ক্যাঁচ শব্দ আরো তীব্র হয়|
দীর্ঘক্ষণ ধরে মন্থিত হতে হতে সংযুক্তার ফর্সা গন্ডদেশদ্বয় লাল হয়ে উঠেছে, শ্বাস-প্রশ্বাস উত্তপ্ত ও তীব্রতর| সে চোখ বুজে মুখটি একপাশে সরায়| ওর ঘন কালো চুলের সম্ভার রতিকান্তর নাকে এসে পরে| তিনি অষ্টাদশী মেয়েটির নরম প্রগল্ভা তনুটি নিজের তলায় নরম বিছানায় ডলে ডলে মন্থন করতে করতে সেই ঘন চুলে নাক মুখ দাবান| ঘষতে থাকেন মুখ সেখানে নিজের আগুন গরম নিঃশ্বাসে ওর কেশারন্য তোলপার করতে করতে| তাঁর দলনে রত পুরুষাঙ্গে ভীষণ আরাম অষ্টাদশীর উত্তপ্ত্ যোনি-দেওয়ালের চাপে ও ঘর্ষণে এবং সেটির সমূহ নিষ্কাশনরত মাংসপেশির আক্রমনে|
মেয়েটির কামিজে ঠাটিয়ে ফুলে ওঠা দুটি উদ্ধত স্তনপিন্ড তাদের সমস্ত উগ্রতা নিয়ে ঘষা খাচ্ছে তাঁর গলার কাছে রতিক্রিয়াকালীন| তিনি থাকতে না পেরে লোভী ডান থাবা তুলে পাকড়ে ধরেন সংযুক্তার উগ্র বাম স্তনটি| উন্মাদের মতো শক্ত হাতে সেই মাংসপিন্ডটি চটকে চটকে যেন নিষ্কাশন করতে চান অষ্টাদশী স্তনের সমস্ত রস, মন্থন করতে করতে… “আহঃ, কি নরম, ঠাটানো কচি,..উফ..!” তিনি আরামে. সুখে ঘর্ঘর করতে করতে সুগন্ধি চুল ভরা ঘরে নাকে মুখ ডলতে ডলতে এবার দুহাতে কামিজসহ সংযুক্তার দুটি পাকা ডালিম আকৃতির স্তন নৃশংস ভাবে টিপে ধরেন “আঃ, কোথায় থাকিস তোরা সুন্দরীরা? উম্ম? বুড়ো মানুষের মনে জ্বালা ধরানো রূপসী! ঠাটানো, উঁচু-উঁচু তরতাজা নরম তুলতুলে দুটো বুক নিয়ে সারা পাড়া মাতিয়ে বেড়ানো টাইট টাইট গেঞ্জি আর কামিজ পরে! উম্ম?” তিনি এবার শক্তিপ্রয়োগ করে সংযুক্তার কামিজ-মোড়া স্তনদ্বয় দু-থাবায় কচলাতে কচলাতে কামড় দেন ওর চিবুকে, ওর উত্তপ্ত যোনির গভীরতম অভ্যন্তরে শক্ত নির্মম পুরুষাঙ্গ বিঁধিয়ে দিয়ে “উফ, জানিস না আমরা তোদের বদমাইশ এই-দুটো টিপে টিপে দফারফা করব সুযোগ পেলেই? উম্ম? উমমম…হমম!”
-”আঃ! উমমম!” সংযুক্তা অসহায়ভাবে কঁকিয়ে ওঠে নির্মম স্তনপীড়ন, কঠিন মন্থনসহ রতিকান্তের দেহভোগের উন্মাদনায়| কিন্তু শাস্তিতে অবিচল দুষ্টু, অবাধ্য বালিকার মতই সে তার তলার ঠোঁট কামড়ে আকর্ষনীয় ভাবে হেসে ওঁর কথায় প্রতিক্রিয়া জানায় সে, মন্থিত হতে হতে নিজের বাম পা টি তুলে পায়ের নখ দিয়ে সে রতিকান্তের নগ্ন লোমশ নিতম্বে আঁচর কাটতে কাটতে ওঁকে জিভ বার করে মুখ ভেংচে ওঠে| “হিহি আমাদের পাওয়া অতি সোজা নাকি!” সে উত্তপ্ত স্বরে বলে ওঠে| মন্থনের তালে তালে ওর গলা কাঁপে| “উহঃ… ” সংযুক্তার স্তনদুটি দুহাতে থেঁতলে চটকে দিতে দিতে গরগর করে ওঠেন রতিকান্ত “তাই নাকি? তা এখন? এখন কে বাঁচে? উমমম? কে বাঁচায় এ-দুটোকে? উম্মঃ..! দুষ্টু রূপসী পরী! চটকে চটকে সমস্ত রস বার করে নেব তোমার!”
-”আহ্হঃ! স্যার, ” সংযুক্তা অসহায়ভাবে কঁকিয়ে উঠে মুখ কাত করে একপাশে| এমন নৃশংস স্তনপীড়ন সহ্য করতে গিয়ে ঠোঁট কামড়ে ওঠে সে| কিন্তু তবুও দুষ্টামি করে সে ডান হাত উঠিয়ে রতিকান্তের গোঁফ ধরে জোরে টান মারে| ওঁর লোমশ নিতম্বে তার পায়ের নখ বসিয়ে দেয, নির্মমভাবে খাবলে ধরে|
-”আহ্হঃ! দুষ্টু কোথাকার!” যন্ত্রনায় গর্জে উঠে রতিকান্ত সংযুক্তার স্তনজোড়াকে নিষ্কৃতি দিয়ে ডান হাতে ওর নরম ফর্সা দুটি হাত ওর মাথার উপরে তুলে একসাথে চেপে ধরে ওর নরম শরীরটা বিছানার সাথে রগড়ে রগড়ে মন্থন করতে শুরু করেন জান্তব আক্রোশে|
-”আহম্ম” সংযুক্তা অসহায়ভাবে গুঙিয়ে ওঠে ওঁর নিচে দলিত-মথিত হতে হতে| দুটি হাত মাথার উপর আটকা পড়া অবস্থায় তার তরুণী দেহটি মুহুর্মুহু আছাড়ি পিছাড়ি খায় রতিকান্তের মৈথুন-আক্রোশে…
এহেন নিবিড় আশ্লেষ সহকারে সংযুক্তার দেহটি মন্থন করতে করতে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ঝলকে ঝলকে বীর্য ওর যোনির ভেতর নির্গত করেন রতিকান্ত ওর ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরে| জীবনের অন্যতম দীর্ঘ কামক্ষরণ সমাপ্ত করে তিনি কিছুক্ষণ ওর উপর ধ্বসে পরে থাকেন মৃতের মতো|
-”উম্ম্হঃ:” কিছু বাদে সংযুক্তা গুমরিয়ে ওঠে ওঁর নিচে| ওর নরম শরীরটা নড়েচড়ে ওঠে তাঁর ভারী দেহের তলায়|
-”প্চ্ম্ম..” রতিকান্ত সংযুক্তার ঠোঁটে সুন্দর করে চুমু খান “সোনামনি, এবার বাড়ি যাও, কাল আবার আসবে| ওকে?”
-”উমমমম!” প্রতিবাদ করে সংযুক্তা এখনো তার যোনির মধ্যে প্রবিষ্ট ওঁর অর্ধশক্ত পুরুষাঙ্গটি নিয়ে| “স্যার, আপনি বলেছিলেন আমার একটা ব্যবস্থার কথা ভেবেছেন?”
-”ওহ, হ্যাঁ,.. উম্ম” তিনি সংযুক্তার কপাল থেকে চুল সরিয়ে ওর সুন্দর ঠোঁটদুটোয় আবার চুম্বন করে বলেন “তুমি আমার বাড়ি চলে এস না সোনামনি? রানীর হালে রাখবো তোমাকে? কোনো রেন্ট দিতে হবেনা?”
“তাই?” সংযুক্তার মুখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, “আপনি সত্যিই আমাকে থাকতে দেবেন?
“হমমম, সুন্দরী! অবশই দেব| তবে একটাই শর্ত”
-”কি?”
-”তোমাকে আমার খেলার পুতুল হয়ে যেতে হবে! যখন ইচ্ছা, যেভাবে ইচ্ছা আমি তোমায় নিয়ে খেলবো| কোনো বেগরবাই করা যাবে না!”
-”ইশশ, ” সংযুক্তা ঠোঁট কামড়িয়ে হাসে-” কি অসভ্য,” তারপর কি ভেবে হেসে রতিকান্তের ঠোঁটে চুমু খায় “উম্ম, থ্যাঙ্ক ইউ স্যার, কবে থেকে মুভ করবো?”
-”কালকেই চলে আসো আমার রূপসী পরি! ” নিজের আসন্ন সৌভাগ্যের কথা ভেবে সংযুক্তার যোনির মধ্যে রতিকান্তের লিঙ্গ আবার শত হয়ে উঠতে থাকে “উম্মমম ” তিনি ওর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে নিজের শক্ত লিঙ্গের দ্বারা ওর যোনির মধ্যে জোরে মোচড় দেন|
-”আউচ!! উমমম” সংযুক্তা হেসে ওঁর গলা দুবাহু দিয়ে মালার মতো জড়িয়ে ধরে| ওঁর স্থুল কোমরের উপর দুই পা তুলে দিয়ে পুনরায় ওঁকে তাকে মন্থন করতে সাহায্য করে|…
-সমাপ্ত-
কোন এক আদ্ভুত কারনে এই মহিলা অনেকবার আমার কল্পনায় চলে এসেছিল হাশেম চাচার কয়েকটা বউ উনি বিদেশে থাকেন ছোট বউ নিয়ে এইটা বড় বউ দুই সন্তানের জননী অবহেলিত ইদানীং গ্রামে দোতলা বাড়ী নিয়ে থাকে একা দীর্ঘদিন বঞ্চিত হাশেম চাচার কাছ থেকে কিন্তু বয়স ৪০ ও হয়নি যৌবন অটুট এখনো নেবার কেউ নেই ফলে আমি কল্পনার ঘোড়া ছুটিয়ে দেই একবার গ্রামে এক বিয়ে উপলক্ষে রাতে থাকতে হচ্ছিল থাকার জায়গা না পেয়ে চাচীর খালি বাড়ীতে আশ্রয় নিতে হলো দোতলার একটা ঘরে আমার জন্য বিছানা পাতা হলো মাঝরাতে আমি ঘুমাতে গেলে চাচী মশারী টাঙিয়ে দিতে এলেন মশারি খাটিয়ে বিছানার চারপাশে গুজে দেয়ার সময় চাচী আর আমি বিছানায় হালকা একটু ধাক্কা খেলাম চাচী হাসলো কেমন যেন লাগলো হাসিটা গ্রাম্য মহিলা কিন্তু চাহনিটার মধ্যে তারুন্যের আমন্দ্রন কাছ থেকে চাচীর পাতলা সুতীর শাড়ীতে ঢাকা শরীরটা খেয়াল করলাম বয়সে আমার বড় হলেও শরীরটা এখনো ঠাসা ব্রা পরে নি কিন্তু ব্লাউজের ভেতর ভারী স্তন দুটো ঈষৎ নুয়েছে মাত্র শাড়ীর আচলটা সরে গিয়ে বাম স্তনটা উন্মুক্ত দেখে মাথার ভেতর হঠাৎ চিরিক করে উঠলো কিন্তু ইনি সম্পর্কে চাচী নিজেকে নিয়ন্ত্রন করলাম আমি নিয়ন্ত্রন করলেও চাচী করলেন না সময়টাও কেমন যেন মাঝরাতে দুজন ভিন্ন সম্পর্কের নারী মানুষ এক বিছানায় এক মশারীর ভেতরে ঘরে আর কেউ নেই পুরুষটা অবিবাহিত কিন্তু নারীমাংস লোভী মহিলা বিবাহিতা কিন্তু দীর্ঘদিন স্বামীসোহাগ বঞ্চিত কথা শুরু এভাবে তুমি আমার দিকে অমন করে কি দেখছ কই না তো মিছে কথা বলছো কেন সত্যি কিছু দেখছিলাম না তুমি আমাকে দেখতে পাচ্ছ না তা দেখছি তাহলে অস্বীকার করছো কেন আমি পরিস্কার দেখলাম তুমি আমার ব্লাউজের দিকে তাকিয়ে না মানে একটু অবাক হয়ে গেছিলাম কেন আপনাকে দেখে মনে হয় না দুই বাচ্চার মা হি হি হি তাই নাকি কী দেখে তোমার মনে হলো হুমম বলা ঠিক হবে আচ্ছা বলি আপনার ফিগার এখনও টাইট বলে কী এ ছেলে রাগ কইরেন না চাচী না বলি কি তুমি কীভাবে বুঝলে টাইট দেখে আন্দাজ করছি কী দেখে আপনার বুক বুক কোথায় দেখলে ওই যে ব্লাউজের ফাক দিয়ে দেখা যায় ওইটা দেখেই বুঝে গেছ আমারটা টাইট খুব পেকে গেছ তাই না সরি চাচী মাফ করে দেন আন্দাজে কথা বললে কোন মাফ করাকরি নাই মাফ চাইলাম তো মাফ নাই তাহলে প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে কীভাবে যে জিনিস তোমার সামনে আছে তোমার নাগালের একফুটের মধ্যে সে জিনিস নিয়ে আন্দাজে কথা বলো কেন চেপে ধরে যাচাই করার মুরোদ নেই কী পুরুষ তুমি চাচী আপনি রাগ করবেন ভেবে ধরিনি তাহলে আগেই তোমার ধরার ইচ্ছা ছিল শয়তান কোথাকার চাচীর উপর সুযোগ নিতে চাও হি হি হি আপনি খুব সুন্দর চাচী সুন্দর ন ছাই তোমার চাচা গত পাচ বছরে একবারও ধরে দেখেনি আমাকে আজকে আমি আপনার অতৃপ্তি মিটিয়ে দেবো লক্ষী ছেলে আসো তুমি যা খুশী খাও বাতি নিবিয়ে দিই তাহলে লজ্জা লাগবে না দুজনের আচ্ছা বাতি নিবিয়ে চাচী বিছানায় উঠে শুয়ে পড়লো আমার পাশে আমি চাচীর ব্লাউজে হাত দিলাম ঠিকই ধরেছিলাম ব্রা পরেনি বিশাল দুটো স্তন দুই হাত লাগবে ভালো করে কচলাতে কিন্তু মাংসগুলো এখনো টানটান আমি ইচ্ছেমতো হাতাতে লাগলাম ব্লাউজের উপরেই এটা ভালো লাগে আমার এতবড় স্তন আগে ধরিনি কখনো দুধ কচলাতে আরাম লাগছে এবার ব্লাউজের ভেতর হাত গলিয়ে দিলাম আহ নরোম মাংসল বুক নাকটা ডুবিয়ে দিলাম স্তনের মধ্যে চাচী আমার মাথাটা চেপে ধরলেন দুই দুধের মাঝখানে মহিলার খিদে টের পাচ্ছি আমি পট পট করে ব্লাউজের বোতাম খুলে দিলাম এবার পুরো নগ্ন স্তন আমার মুখের সামনে আমি চাচীর শরীরের উপর উঠে গেলাম এভাবে দুই দুধ খেতে সুবিধা প্রথমে মুখ দিলাম বামস্তনে বোঁটাটা টানটান জিহ্বা দিয়ে চাটতে লাগলাম আবার পুরোটা মুখে পুরে চুষতে লাগলাম চুষতে চুষতে আমার লিঙ্গ খাড়া হয়ে ওনার রানে গুতা দিচ্ছে আমি বেপরোয়া হয়ে সব কাপড় খুলে নেংটো করে ফেললাম ওনাকে নিজেও হলাম তারপর ঝাপিয়ে পড়লাম আবার চাচী আর্তনাদ করে উঠলো ফিসফিস করে উফফফ তুমি রাক্ষস নাকি কামড় দিচ্ছ কেন আস্তে খাও আমি তো সারারাত আছি ওরে বাবা তোমারটাতো বিরাট আমাকে ফাটিয়ে ফেলবে এত শক্ত খাড়া তোমার চাচার চেয়ে অনেক বেশী মজবুত অ্যাই ছেলে এবার বাম দুধ খাও না একটা চুষে এতক্ষন রাখলে অন্যটাতো ব্যাথা হয়ে যাবে একটা মুখে নাও অন্যটা টিপতে থাকো নিয়মও তো জানো না দেখছি সব আমাকে শিখিয়ে দিতে হচ্ছে কোথায় ঠেলছো তুমি ছিদ্র চেনো নাকি তাও জানো না আসো তোমারটা আমার দুই রানের মাঝখানে ঘষো আগে তারপর পিছলা হলে ঢুকিয়ে দেবে আহ আস্তে ঢোকাও উফফফ কি মজা পুরোটা ঢুকাও মারো জোরো ঠাপ মারো সোনা আমাকে ছিড়ে খুড়ে খেয়ে ফেলো আহহহহ আজকে হাশেম্যার উপর শোধ নিলাম শালা আমাকে রেখে মাগী চুদতো এখন আমি তোর ভাতিজারে দিয়ে চুদলাম আহহহ তুমি আজ সারারাত আমারে চুদবা সারাবছরের চোদা একরাতে দিবা তোমার শক্তি আছে তুমি আমাকে ইচ্ছা মতো মারো আমি তোমাকে টাকা পয়সা দিব লাগলে তুমি সময় পেলেই চলে আসবা চাচীর মত গুদ পেয়ে আমি ধন্য তাই আমি সময় পেলেই নিয়মিত তার সাথে যৌনসংগম করে ভীষণ আনন্দলাভ করছি তার উপর উনি যৌনসংগমে রিতিমত অভিজ্ঞা
Copyright © 2015. Bangla Indian Hindi Stories Choti - All Rights Reserved
Powered by Blogger